অ্যালিসার মঙ্গল অভিযান অনিশ্চিত
উত্তরদক্ষিণ । রবিবার, ১৭ জুলাই ২০২২ । আপডেট ১৪:৪০
মঙ্গল গ্রহ অভিযানের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছেন ২০ বছর বয়সী অ্যালিসা। মঙ্গলে পৌঁছনোর পর তিনি আর পৃথিবীতে ফিরে আসবেন না এবং অ্যালিসা পৃথিবীর প্রথম মানুষ, যিনি মঙ্গল গ্রহে গিয়ে বসবাস করবেন এমনটাই দাবি করা হচ্ছে বিভিন্ন মাধ্যমে। খবরঃ আনন্দবাজার পত্রিকা। নাসা ব্লুবেরি ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমেরিকার বাসিন্দা অ্যালিসা মাত্র তিন বছর বয়স থেকেই নভোচারি হওয়ার প্রবল ইচ্ছা।
লাল গ্রহে পা রাখার আকাঙ্ক্ষা থাকলেও অ্যালিসাকে মঙ্গলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে না। এই অভিযানে যারা যাবেন, তারা সকলেই আবার পৃথিবীতে ফেরার লক্ষ্য নিয়েই যাবেন এমনটাই দাবি করেছে নাসা। অ্যালিসার মঙ্গল গ্রহে অভিযান নিয়ে এক ফেসবুক পোস্টে বলা হয়ছে, অ্যালিসা কোনও দিন বিয়ে করতে পারবেন না। হতে পারবেন না সন্তানের মা। মঙ্গল অভিযানে যাওয়া প্রথম মানুষ হবেন অ্যালিসা, যিনি আর কখনও পৃথিবীতে ফিরে আসবেন না।
বেশকিছু মহাকাশ ক্যাম্প এবং মহাকাশ প্রশিক্ষন কেন্দ্র এমন প্রতিষ্ঠানে যোগ দিয়ে মঙ্গল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছেন অ্যালিসা, একাধিক ওয়েবসাইট এমনটাই দাবি করে আসছে। গুজব রটেছিল, অ্যালিসার দেহে বিশেষ এক প্রকার বিশেষ জিন প্রবেশ করানো হচ্ছে যাতে তার আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে মঙ্গলের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেন। তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেছে নাসা। আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসা জানিয়েছে, ভবিষ্যতে মঙ্গল অভিযানের পরিকল্পনা চললেও অ্যালিসা বলে কেউ সেই অভিযানের অংশ নয়।
নাসার এক মুখপাত্র জানায়, আগ্রহী অনেক শিক্ষার্থি নাসার বিভিন্ন অভিযানে শামিল হয়। তবে অ্যালিসা নামের কেও নাসার কোনও অভিযানে নেই বলে সংস্থার তরফ থেকে জানানো হয়েছে। আগামী মঙ্গল অভিযানে কারা যাবেন, তা এখনও ঠিক হয়নি বলেও জানায় নাসার মুখপাত্র। নাসার তরফ থেকে আরও জানানো হয়, এক জন মহাকাশচারী হওয়ার জন্য যে যোগ্যতার প্রয়োজন, তা অ্যালিসার নেই। অ্যালিসার বাবা রয়টার্সকে এক ইমেইলে জানায়, অ্যালিসার জীবনের মূল লক্ষ্য মঙ্গল অভিযানে যাওয়া। এই লক্ষ্য পূরণের জন্য আমার মেয়ে যথাসাধ্য চেষ্টা এবং পরিশ্রম করছেন। তবে মেয়ে অ্যালিসাকে নাসার তরফ থেকে আদৌ মঙ্গলে পাঠানো হবে কি না, তা তিনি জানেন না বলেও মন্তব্য করেছেন অ্যালিসার বাবা।
ইউডি/সুস্মিত

