রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব: সরকারের পদক্ষেপ ও সতর্কতা

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব: সরকারের পদক্ষেপ ও সতর্কতা

উত্তরদক্ষিণ । মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই ২০২২ । আপডেট ১০:২৫

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারনে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে যাচ্ছে বিশ্ব। এরই প্রেক্ষাপটে আগেভাগেই সতর্ক বাংলাদেশ। আর সংকট এড়াতে বিদ্যুৎ ও তেলের খরচ কমানোর একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত হয়েছে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ থেকে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং শুরু হবে। সরকারের পক্ষ থেকে সবাইকে ধৈর্য্যধারন করার কথা বলা হয়েছে। বিস্তারিত লিখেছেন সাদিত কবির।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ জ্বালানির আন্তর্জাতিক বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি করেছে, তার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। প্রায় শতভাগ জ্বালানি তেল আমদানি করা বাংলাদেশের পরিবহন খাতের ৯০ শতাংশ এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৩৪ শতাংশ তেল নির্ভর। ভর্তুকি বেড়ে যাওয়ায় সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে। দাম বেড়ে যাওয়ায় এলএনজি কেনার পরিমাণও কমানো হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে ডলার। আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় চাপ পড়ছে রিজার্ভে। খোলাবাজারে ডলারের বিনিময় হার ১০০টাকা ছাড়িয়েছে। এরই প্রেক্ষাপটে ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে নেমেছে সরকার। কেননা আগে থেকে সতর্ক না হলে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হবার শঙ্কা থেকে যাবে। বিশ্লেষকরা সরকারের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী

সোমবার (১৮ জুলাই) জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বৈঠকে অফিসের কর্মঘণ্টা কমিয়ে আনা, ভার্চুয়ালি অফিস করা, এসি ব্যবহারে সংযমী হওয়াসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট চলার কথা তুলে ধরে বলেন, ধৈর্য্য ধরে যদি আমরা এটাকে সহ্য করে সবাই মিলে অতিক্রম করি, তাহলে ইনশাল্লাহ, ভবিষ্যতে আবার সুদিন আসবে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস উপস্থিত ছিলেন সংবাদ সম্মেলনে।

সংকট এড়াতে সরকারের নেয়া পদক্ষেপ: আজ মঙ্গলবার থেকে হবে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং, দিনে এক থেকে দুই ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না। আপাতত ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন স্থগিত থাকবে, দিনে বিদ্যুতের ঘাটতি হবে ১০০০-১৫০০ মেগাওয়াট। জ্বালানি আমদানির খরচ কমাতে সপ্তাহে ১ দিন বন্ধ থাকবে পেট্রোল পাম্প। গাড়িতে তেল কম ব্যবহার কমাতেও পদক্ষেপ আসছে, প্রজ্ঞাপন দিয়ে জানানো হবে। রাত ৮টার পর দোকানপাট, বিপণি বিতান বন্ধ রাখার পুরনো সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে বাস্তবায়ন হবে। অফিস-আদালতে কিংবা বাসায় এসি ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে রাখতে হবে,মসজিদে শুধু নামাজের সময়কালীন এসি চালানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।। কাজ ঠিক রেখে অফিসের কর্মঘণ্টা ১ থেকে ২ ঘণ্টা কমানোর পরিকল্পনা। সরকারি বেসরকারি অফিসের সভা করতে হবে ভার্চুয়ালি

আজ থেকে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং শুরু: জ্বালানি সাশ্রয় নীতির কারণে দিনে এক থেকে দেড় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। সেই ঘাটতি সমন্বয় করতে গ্রাহক পর্যায়ে দিনে এক থেকে দুই ঘণ্টা লোডশেডিং করতে হবে, আর এলাকাভিত্তিক এই লোডশেডিং শুরু হবে আজ মঙ্গলবার থেকেই। কোথায় কখন লোডশেডিং হবে, তা ইতোমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে বিদ্যুৎ বিতরণকারী কোম্পানিগুলো।

নসরুল হামিদ

লোডশেডিং প্রাথমিকভাবে এক ঘণ্টা: নসরুল হামিদ বলেন, আমরা আগামীকাল থেকে শুরু করব। প্রাথমিকভাবে এলাকাভিত্তিক এক ঘণ্টা লোডশেডিং দেব। পিক এবং অফপিক আওয়ারেও দেখব। এভাবে এক সপ্তাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করব। লোডশেডিং দেওয়ার আগে ওই এলাকায় মাইকিং করা হবে। তিনি বলেন, আমরা দেখব, যদি এক ঘণ্টা লোডশেডিং দিলে কভার হয়, তাহলে এটাই বহাল থাকবে। না হলে আরেক ঘণ্টা বাড়িয়ে দুই ঘণ্টা লোডশেডিং দেওয়া হবে। তবে আমাদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব শিল্প-কারখানায়। সেখানে আমরা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেব। সন্ধ্যা আটটার পর সব দোকান-পাট বন্ধ রাখা হবে। যদি কেউ খোলা রাখে তবে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা আরও চেষ্টা করছি কীভাবে অন্যখাতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী করা যায়।

মো. ফরহাদ হোসেন

বিদ্যুৎ, গ্যাস খাতের বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপট তুলে ধরতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা দাবি করতে পারি সারাদেশে শতভাগ বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে। কিন্তু বিশ্বব্যাপী একটি পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে স্বল্পতা, মূল্য বৃদ্ধি প্রকটভাবে দেখা দিয়েছে। মূল কারণ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। যুদ্ধের কারণে ইউরোপে তীব্রভাবে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। তিনি বলেন, আমরা ২৩০০ এমএফসি গ্যাস নিজস্ব উৎস থেকে ব্যবহার করতাম। গত তিন বছর আগেও ২৭০০ এমএফসি পেতাম। যা কমে এখন ২৩০০ এমএফসিএফে পৌঁছেছে। আমরা ড্রিলিং করে ১৯০০ এমএফসিএফ এর মতো পাচ্ছি। বাকি গ্যাস প্রায় সাড়ে ৮০০ এমএফসিএফ আমদানি করতাম। এর মধ্যে ৫০০ এমএফসিএফ গ্যাস আমরা দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে আমদানি করি। যা তেলের দামের বাড়া কমার সঙ্গে সমন্বয় করে কেনা হয়। কাতার এবং ওমানের সঙ্গে ১৫ বছরের এরকম চুক্তি রয়েছে।

আহমদ কায়কাউস

বাণিজ্যিক গ্রাহকরা বিদ্যুৎপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে: বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, আমাদেরকে সাশ্রয়ী হতে হবে। সেই সাশ্রয়ী হওয়ার কারণে আমরা এলাকাভিত্তিক লোডশেডিংয়ে চলে যাচ্ছি। সেটা আমরা আগে থেকে জানিয়ে দেব। বিশেষ করে গাড়িতে যাতে তেল কম ব্যবহার করা হয় সেজন্য কিছু মেজারস নেওয়া হচ্ছে। সেটা পর্যায়ক্রমে জানিয়ে দেওয়া হবে। এটা খুব দীর্ঘমেয়াদী নয়। প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোন এলাকায় পর্যায়ক্রমে কতক্ষণ বিদ্যুৎ থাকবে না, সেটা বিতরণ কোম্পানিগুলোর জানিয়ে দেবে। শিল্প-কারখানা ও বাণিজ্যিক গ্রাহকরা বিদ্যুৎপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে, এরপর অন্য গ্রাহকরা বিদ্যুৎ পাবে। সবাইকে ধৈর্য্য ধরে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে শুরু হওয়া এই বিশেষ পরিস্থিতি থেকে অচিরেই আমরা মুক্তি পাব বলে আমি আশা করি।

ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে উৎপাদন স্থগিত: ডিজেলের দাম ‘আকাশচুম্বি’ হয়ে যাওয়ায় আপাতত দেশের ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে উৎপাদন স্থগিত রাখা হবে। পাশাপাশি সপ্তাহে একদিন পেট্রোল পাম্প বন্ধ রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের হিসাব অনুযায়ী, এখন কয়লা থেকে ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ, গ্যাস থেকে ৫০ দশমিক ৮৪ শতাংশ, ফার্নেস অয়েল থেকে ২৮ শতাংশ এবং ডিজেল থেকে ৬ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।

রাত ৮টার পর শপিংমল বন্ধ থাকবে: রাত ৮টার পর দোকানপাট, শপিংমল বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে শপিংমলের আলোকসজ্জাও বন্ধ রাখতে হবে। নির্দেশনা অমান্য করলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাত ৮টা থেকে কোনরকম দোকানপাট, শপিংমল, আলোকসজ্জাÍসব বন্ধ থাকবে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ বিভাগকে বলা হয়েছে, তারা খুব কঠিনভাবে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করবে। যদি কেউ অমান্য করে, তাদের বিদ্যুতের লাইন আমরা বিচ্ছিন্ন করে দেব। নসরুল হামিদ আরও বলেন, আমরা শতভাগ বিদ্যুতায়নে পৌঁছে গেছি। বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকাতে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে, সেটা আমরা দাবি করতে পারি। এর পরবর্তী অবস্থায় বিশ্ব পরিস্থিতি অন্যরকম অবস্থায় চলে গেছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্যাপকভাবে একটা স্বল্পতা, মূল্যবৃদ্ধি এ বিষয়গুলো প্রকটভাবে দেখা দিয়েছে। এটার মূল কারণ হলো, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। এই যুদ্ধের কারণে ইউরোপে জ্বালানি সংকট তীব্রভাবে দেখা দিয়েছে। এর পাশাপাশি ইউরোপে প্রচø রকমের তাপদাহ শুরু হয়েছে, ফলে আরও এনার্জি প্রয়োজন তাদের।

অফিসের সময় কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত শিগগিরই: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. ফরহাদ হোসেন বলেছেন, অফিসের সময় কমানো হতে পারে অথবা ওয়ার্ক ফ্রম হোম হতে পারে। অফিসে যতটুকু না করলেই না, এমনভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করার বিষয়টি চিন্তা করছি। এ বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত হবে। সোমবার (১৮ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য অফিসের সময়সূচি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা বা ৪টা পর্যন্ত করার প্রস্তাব এসেছে। এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, মানুষের কষ্ট যাতে না হয়, সেটা বিবেচনায় রেখে সিদ্ধান্ত নেবো। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও আলোচনা চলছে। যেটা করলে ভালো হয় সেটাই করবো। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সিদ্ধান্তটা আমরা নেবো। আমরা সব বিষয় বিশ্লেষণ করে সঠিক কাজটি করার চেষ্টা করবো।

উত্তরদক্ষিণ । ১৯ জুলাই ২০২২ । ১ম পৃষ্ঠা

‘ধৈর্য্য সহকারে এই সংকট মোকাবেলা করতে হবে’
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ডলারের সঞ্চিতিতে ঘাটতি তৈরি হলে সামনে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিতে পারে, যার নজির দেখা যাচ্ছে প্রতিবেশী দেশ শ্রীলঙ্কায়। বর্তমান সংকটকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সাথে তুলনা করে তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী বলেন, ধৈর্য্য সহকারে এই সংকট মোকাবেলা করতে হবে। সবাইকে নিজ উদ্যোগে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে। তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর অনেক উন্নত রাষ্ট্র, যাদের অনেক টাকা পয়সা আছে, তারাও লোডশেডিংয়ে যাচ্ছে। ব্রিটেনে হচ্ছে, অস্ট্রেলিয়ায় হচ্ছে, জাপানে হচ্ছে। কোনো কোনো দেশে বরাদ্দ থাকা সত্বেও, ব্যাংকে অর্থ থাকা সত্বেও সংবরণ করছে। আজকের আলোচনার একটা মুখ্য বিষয় হচ্ছে যে আমরা আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদনকে কমিয়ে আনব, যাতে আমাদের খরচ কম হয়। এর অংশ হিসেবে ডিজেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন স্থগিত করার পাশাপাশি অন্যান্য খাতেও বিদ্যুতের ব্যয় কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা। সারাদেশে এক থেকে দেড় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এই ঘাটতি অঞ্চলভিত্তিক ভাগ করে নিতে হবে। তাতে দিনে এক থেকে দেড় ঘণ্টা, কোনো কোনো জায়গায় দুই ঘণ্টাও লোডশেডিং হতে পারে। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এবং পৃথিবীর এই দুর্যোগপূর্ণ সময় আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এই মুক্তিযোদ্ধা বলেন, তখন আমরা ত্যাগের মানসিকতা নিয়ে অগ্রসর হয়েছিলাম। সেই যুদ্ধে আমরা বিজয় অর্জন করেছি বিধায় এই যুদ্ধ আমাদের জন্য তুলনামূলক সহজ। এই যুদ্ধে আপনারা সবাই অংশ নেবেন।

ইউডি/সুস্মিত

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading