রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ ছিলেন মর্যাদা, প্রজ্ঞা এবং সেবার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী
উত্তরদক্ষিণ । শুক্রবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ । আপডেট ১৪:০০
রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল ৮ সেপ্টেম্বর ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী এলিজাবেথ ট্রাস এমপিকে লেখা এক শোক বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের আকস্মিক মৃত্যুতে আমি বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে এবং আমার পক্ষ থেকে আপনাকে গভীর শোক ও দুঃখ জানাচ্ছি, এবং আপনার মাধ্যমে ব্রিটেনের জনগণের প্রতি আমাদের আন্তরিক সমবেদনা ও সহানুভূতি জানাচ্ছি।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের আজ জারি করা এক বিবৃতি বলা হয়, শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, আমাদের আন্তরিক শ্রদ্ধা এবং প্রার্থনা শোকাহত রাজ পরিবারের সদস্য এবং ব্রিটেনের শোকাহত জনগণের সাথে রয়েছে এবং আমরা মহামান্যের বিদেহী আত্মার চিরশান্তি ও পরিত্রাণের জন্য প্রার্থনা করছি। শেখ হাসিনা উল্লেখ করেছেন যে, রানী শুধুমাত্র ২৫০ কোটি কমনওয়েলথ জনগণের স্তম্ভ এবং শক্তি ছিলেন না বরং তিনি করুণা, মর্যাদা, প্রজ্ঞা এবং সেবারও প্রতীক ছিলেন।
তিনি লিখেছেন, বিশ্বের সমসাময়িক ইতিহাসে সবচেয়ে কিংবদন্তী এবং দীর্ঘতম রাজত্বকারী রাজা হিসাবে কর্তব্য, সেবা এবং ত্যাগের সর্বোচ্চ মান স্থাপন করেছেন এবং বিশ্বজুড়ে তার অগণিত মানুষের কাছে উৎসর্গের একটি অতুলনীয় উত্তরাধিকার রেখে গেছেন।’
প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, রানী তার দেশের নাগরিকদের জন্য অনুপ্রেরণা, সাহস এবং শক্তির একটি দুর্দান্ত উৎস হয়ে থাকবেন। বাঙালি জনগণের বাড়িতে তার দুটি ঐতিহাসিক রাজকীয় সফরের জন্য অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
তিনি আরো লিখেছেন, ব্রিটেনের মহামান্য রানী এবং আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি এবং অটোয়া ও কিংস্টনে দু’টি কমনওয়েলথ সরকার প্রধানের বৈঠক চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ‘আমি লন্ডনে ২০১৮ সিএইচওজি -এ আমাদের শেষ ব্যক্তিগত আলাপচারিতার প্রশংসা করি।’ তিনি স্মরণ করেন। শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন যে, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়ে রানী সবচেয়ে আবেগপূর্ণ বার্তা দিয়েছিলেন যেখানে তিনি লিখেছেন ‘আমরা বন্ধুত্ব এবং সম্পর্কের বন্ধন ধারণ করি, যা আমাদের অংশীদারিত্বের ভিত্তি হিসাবে রয়ে গেছে এবং পঞ্চাশ বছর আগের মতো আজো তা গুরুত্বপূর্ণ।’
ইউডি/সুপ্ত

