পাইলট কেমন করে মেঘ তৈরি করেন?
উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ । আপডেট ১৩:৫৫
পাইলট অ্যান্ডার্স মার্ড ট্রেইলটি তুলে নেন এবং বিমান চালানো শুরু করেন৷ এখন সবকিছু সময়মত হওয়া জরুরি। তিনি বলেন, ‘একই সময়ে অনেক কিছু চলছে। আপনাকে বিমানটি ওড়াতে হবে, মেঘের চারপাশে নেভিগেট করতে হবে, যাতে আপনি সঠিক সময় সঠিক জায়গায় থাকেন। আর অবশ্যই এমনভাবে নেভিগেট করতে হবে যেন সত্যি মেঘ তৈরি হয়।’
নির্দেশ পাওয়া মাত্র লবণ নিক্ষেপ করেন মার্ড। কন্ট্রোল রুমে, এরইমধ্যে পরবর্তী মেঘের খোঁজ করা হচ্ছে। তিন ঘন্টায় ২০টি মেঘে অপারেশন চালান তিনি। প্রায়ই ফল পাওয়া যায় একটু পরই৷ পুরো দলের জন্য সেটি আনন্দের মুহূর্ত। এদিকে, মরুময় আমিরাতে স্বস্তির বৃষ্টি। ছোটবেলা থেকেই প্রাকৃতিক ঘটনাগুলো সালাহ আল হামাদিকে খুব টানে৷ যখনই পারেন, এই শখের চাষি বৃষ্টির ছবি তোলেন।
সমালোচকেরা আমিরাতের এই হাজার কোটি টাকার প্রকল্পকে অবৈজ্ঞানিক এবং এর সাফল্য প্রমাণিত হয়নি বলে মনে করেন। তবে দেশটির আবহাওয়া বিভাগের প্রধান এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন।
আবহাওয়া বিভাগের প্রধান আবদুল্লাহ আল মেন্দুজ বলেন, ‘এটি একটি সফল প্রকল্প। আমরা অনেককে উৎসাহিতও করেছি। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা এর সঙ্গে জড়িত। তারা আমাদের গবেষণার জন্য কৃতজ্ঞ৷ অন্যান্য অনেক দেশ আমাদের উদাহরণ অনুসরণ করার চেষ্টা করছে এবং আমাদের প্রকল্পের ডেটা থেকে উপকৃত হওয়ার চেষ্টা করছে।’
অ্যান্ডার্স মার্ড ক্লান্ত ও সন্তুষ্ট৷ তিনি চারটি মেঘে অপারেশন চালিয়েছেন, অর্থাৎ খরচ হয়েছে ৪০টি কার্তুজ। বৃষ্টিও হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আজ আমি একজন রেইনমেকার ছিলাম৷ এটা আমি গর্ব করে বলতে পারি।’
বিমান চালিয়ে অ্যান্ডারস মার্ড হয়তো জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করতে বা পানির সংকট দূর করতে পারেন না। তবে অন্তত একটু বেশি বৃষ্টির ব্যবস্থা করতে পারেন। আর এই মৌসুমে তা অনেক বেশিই হতে পারে।
ইউডি/অনিক

