পরিস্থিতি নিবিড় পর্যবেক্ষণ করে গাইবান্ধা নির্বাচন বন্ধ করা হয়েছে
উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর ২০২২ । আপডেট ১৭:০৫
গাইবান্ধা-৫ আসনের উপ-নির্বাচনে বন্ধের সিদ্ধান্ত হঠকারী ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন একা কিছু করতে পারে না।
বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) বেলা আড়াইটার দিকে নির্বাচন কমিশনে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচন বন্ধ নিয়ে ইসির পক্ষ থেকে এই সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়।
ইসির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছাড়াও অন্য কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন।
অনিয়মের অভিযোগে সংসদীয় আসনের পুরো ভোট বন্ধ করে দিয়ে আলোচনায় আসে নির্বাচন কমিশন। গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচন বন্ধ করা নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে নানা বক্তব্য আসছে, কেন এতবড় সিদ্ধান্ত নিতে হলো তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
তবে নির্বাচন কমিশন জানায়, ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকায় ভোট বন্ধ করা হয়েছে। আরপিওর ক্ষমতাবলে ইসি ভোট বন্ধ করেছে বলেও জানানো হয়েছে।

যদিও পরবর্তীতে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ইসি বলেছে, ভোটগ্রহণে ব্যাপক অনিয়ম ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে চরম ব্যর্থতার কারণে গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনে সব কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ বন্ধ করা হয়েছে।
গতকালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টির প্রার্থীসহ মোট ৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। দুপুরের আগেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছাড়া বাকিরা অনিয়মের অভিযোগ করে ভোট থেকে করে দাঁড়ান।
ভোট বন্ধের সিদ্ধান্তে নাখোশ হয়েছে আওয়ামী লীগ। ঢাকায় বসে সিসি ক্যামেরায় অনিয়ম দেখার কথা বলে ভোট বন্ধ করা কতটা যৌক্তিক হয়েছে তাও ভেবে দেখার জন্য বলেছেন দলটির নেতারা। তবে অনেক দলের পক্ষ থেকে ইসির সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানানো হয়।
ভোট বন্ধের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাতে আজ সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে। সেখানে কথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, গাইবান্ধার নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর সুযোগ নেই। ইসি একা এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। ভোট বন্ধের সিদ্ধান্ত হঠকারী ছিল না। দেখে শুনে বুঝে গাইবান্ধার উপনির্বাচন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সিইসি আরও বলেন, নির্বাচনের অনিয়ম তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
ইউডি/সুস্মিত

