জিয়ার আমলে সামরিক আদালতে দণ্ডের ক্ষতিপূরণ কেন নয়: হাই কোর্ট
উত্তরদক্ষিণ । মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর ২০২২ । আপডেট ১৭:৩০
জিয়াউর রহমানের শাসনামলে বিমান বাহিনীর এক বিদ্রোহের ঘটনায় সামরিক আদালতে দণ্ডিতদের চাকরির স্বাভাবিক অবসর গ্রহণ পর্যন্ত বেতন, অন্য সব সুবিধা, পেনশন দিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না– তা জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট। এক রিট আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর বেঞ্চ মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) এই রুল জারি করে।
১৯৭৭ সালের ২ অক্টোবর সেই সামরিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বিমান বাহিনীর সার্জেন্ট সাইদুর রহমানের ছেলে মো. কামরুজ্জামান মিঞা লেলিনসহ বিমান বাহিনীর ১৪ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত সেনা ও বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাসহ ৮৮ পরিবারের পক্ষে ২০১৯ সালে এই রিট আবেদনটি করা হয়।
আদালতে তাদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, সঙ্গে ছিলেন মো. মতিউর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। সেনা ও বিমান বাহিনীর ওই ৮৮ সদস্য স্বাভাবিকভাবে অবসরে গেলে সেই সময় পর্যন্ত যে বেতন, অন্য সব সুবিধা ও পেনশন তারা পেতেন, তা দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তা জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট।
পাশাপাশি ১৯৭৭ সালের ‘মার্শাল ল রেগুলেশনে’ গঠিত ওই ট্রাইব্যুনালে দোষী সাব্যস্ত করা ও দণ্ডকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করে দণ্ডিতদের দেশপ্রেমিক হিসাবে বিবেচনার নির্দেশ কেন দেয়া হবে না– তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে। আবেদনকারীদের পরিবারের সদস্যদের সরকারি চাকরিতে ‘সার্ভিস অব ওয়ার্ড’ দিতে কেন বিবাদীদেরকে নির্দেশ দেওয়া হবে না, সেই প্রশ্নও বিবাদীদের করা হয়েছে।
প্রতিরক্ষা সচিব, আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, চিফ অব আর্মি স্টাফ, চিফ অব এয়ার স্টাফকে চার সপ্তাহে মধ্যে ওই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
ইউডি/সুপ্ত

