বদলে যাওয়া নেইমারকে ঘিরে আশা দেখছে ব্রাজিল
উত্তরদক্ষিণ । বুধবার, ২৬ অক্টোবর ২০২২। আপডেট ২০:০০
ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমারকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনা-সমালোচনা কম হলো না। কিলিয়ান এমবাপে, লিওনেল মেসিদের উপস্থিতিতে কী জমে উঠছে না তার পিএসজি জার্নি। তবে কী তিনি ক্লাব ছাড়ছেন? কিন্তু নতুন চলতি মৌসুমে তার পারফরম্যান্স বলচে ভিন্ন কথা। ব্রাজিলিয়ান তারকা ক্লাব, কোচ ও দল সবার কাছেই এখন ভরসার প্রতীক। এমন সাফল্য আশা দেখাচ্ছে ব্রাজিলিয়াদেরও।
বিশ্বকাপের রেকর্ড পাঁচ শিরোপার সর্বশেষটি ব্রাজিল জিতেছিল ২০০২ সালে। ষষ্ঠ ট্রফি জয়ের দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে বিশ্বকাপে এবারের অভিযানে নামবে তিতের দল। দলটির আশা ভরসার মূল কান্ডারি নেইমার। নেইমার নিজেও এবার জিততে চান ভিন্ন ‘ডাবল’। চলতি মাসে পিএসজি টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তার লক্ষ্য ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপ জেতা ও পিএসজিকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতানো।
নেইমারের চাওয়া পূরণ হবে কিনা, তা সময়ই বলে দেবে। তবে বদলে যাওয়া এই নেইমার কেবল তার ক্লাব পিএসজি শিবিরেই স্বস্তির সুবাতাস বয়ে আনছে না, ব্রাজিলের ফুটবলপ্রেমীদের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জয়ের পালে হাওয়াও দিচ্ছে বেশ।

অনেক প্রত্যাশা নিয়ে ২০১৭ সালে রেকর্ড ২২ কোটি ইউরোয় বার্সেলোনা থেকে নেইমারকে দলে টানে পিএসজি। ওই সময়ে তাকে ঘিরে দলটি সাজিয়েছিল ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। মূল চাওয়া ছিল, অধরা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়। কিন্তু প্রত্যাশার প্রতিদান সেভাবে দিতে পারেননি তিনি। একের পর এক চোটে মিস করেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গুরুত্বপূর্ণ অনেক ম্যাচ। আবার যখন ফিট ছিলেন, তখন নকআউট পর্বে আলো ছড়াতে হন ব্যর্থ।
এখনও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিততে পারেনি পিএসজি, সেরা সাফল্য ২০২০ সালে রানার্সআপ হওয়া। গত মৌসুমে মেসি পিএসজিতে যোগ দেওয়ার পর ধারণা করা হচ্ছিল তিনি, নেইমার ও এমবাপের সমন্বয়ে দারুণ একটা আক্রমণ ত্রয়ী পাবে দলটি।
সম্প্রতি সামগ্রিকভাবেই বদলে গেছে নেইমারের খেলার ধরন, দায়িত্বের পরিধিও। আক্রমণভাগের খেলোয়াড় হলেও তাকে এখন নিয়মিতভাবে দেখা যায় রক্ষণে দলকে সহায়তা করতে।
ইউডি/সুপ্ত

