কুষ্টিয়ায় ইউএনও’র গাড়ি ভাঙচুর: আসামি ১৫০
উত্তরদক্ষিণ । সোমবার, ৩১ অক্টোবর ২০২২। আপডেট ১২:৫০
কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সরকারি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাত ১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
শনিবার (২৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টার পর গাড়িচালক বাদশা বাদী হয়ে এ মামলা করেন। পরদিন রোববার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করে খোকসা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মামুনুর রশিদ।
খোকসা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মামুনুর রশিদ বলেন, ‘ইউএনওর সরকারি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ১৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো আসামি আটক বা গ্রেপ্তার হয়নি। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে।’
জানা যায়, শনিবার রাতে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এ সময় পেছন থেকে ছোড়া ইটের আঘাতে ইউএনওর সরকারি গাড়ির পেছনের গ্লাস ভেঙে যায়।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মোতাহার হোসেন খোকন নিজের সমর্থকদের সঙ্গে ধাওয়া ও ইট নিক্ষেপের ঘটনা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যায় জানিপুর ইউনিয়নের একতারপুর হোটেল মোড়ে বাবুল আখতারের সমর্থক ও জানিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ সাবেক চেয়ারম্যানের ভাইকে হাতুড়িপেটা করেন। হয়তো সাবেক চেয়ারম্যানের লোকজন বাবুল আখতারের লোকজনের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে এ ঘটনা ঘটতে পারে। আমি বা আমার লোকজন ইউএনওর গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত নই।’
আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বাবুল আক্তারের ব্যবহৃত নম্বরে কল দেওয়া হলে তিনি সাড়া দেননি।
খোকসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিপন বিশ্বাস বলেন, ‘বর্তমানে খোকসায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। সরকারি গাড়ি ভাঙচুর ও সরকারি কাজে বাধা প্রদানের ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে।’
ঘটনার বর্ণনায় ইউএনও বলেন, ‘শনিবার রাতে দুপক্ষের উত্তেজনার সময় কার্যালয়ে ফিরছিলাম। ফেরার পথে বাবুল আক্তার ও শান্ত সাহেবের অফিসের মাঝামাঝি এলাকায় পৌঁছলে গাড়ির পেছনে ইট লাগে। এতে পেছনের গ্লাস ভেঙে যায়। তবে কেউ আহত হয়নি।’
ইউডি/এআই

