সম্পূর্ণরূপে সৌরশক্তিতে চলছে ইন্ডিয়ার কোচিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

সম্পূর্ণরূপে সৌরশক্তিতে চলছে ইন্ডিয়ার কোচিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ০৩ নভেম্বর ২০২২ । আপডেট ২০:০০

ইন্ডিয়ার অন্যতম ব্যস্ত বিমানবন্দর হচ্ছে কোচিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, এটা এখন সম্পূর্ণরূপে সৌরশক্তিতে চলছে। এটা কোনো সংবাদ বা তথ্য নয় এটা হলো এ বিমানবন্দরটির বর্তমান বাস্তবতা। সম্প্রতি এখানকার এ সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পটি আন্তর্জাতিক মণ্ডলেও প্রশংসিত হয়েছে।

কোচিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমনের প্রতি একটি বিঘ্নিত দৃষ্টিভঙ্গির কাহিনি। এখানে ধীরে ধীরে পরিবেশ দূষণবিরোধী সবুজ জ্বালানি শক্তির ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ বিমানবন্দরের সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন কোম্পানিটি সম্প্রতি ২৫ কোটি ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্রমবর্ধমান মাইলফলক ছুঁয়েছে। এর ফলে এক লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন কার্বন নিঃসরণ বন্ধ হয়েছে। এর মাধ্যমে তারা বিমানবন্দরের বাইরেও পরিবেশ দূষণবিরোধী পদক্ষেপকে জোরদার করেছে। এ কারণে ২০১৮ সালে কোচিন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট লিমিটেডের (সিআইএএল) এ সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পটি উদ্যোক্তা বিভাগে জাতিসংঘের চ্যাম্পিয়নস অফ দ্য আর্থ পুরস্কার জিতেছিল।

বর্তমানে বিমানবন্দরের মতো একটি বিশাল স্থাপনার জন্য খুব বেশি পরিমাণে বিদ্যুৎ শক্তি প্রয়োজন। এমন একটি বিমানবন্দরের জন্য সবুজ জ্বালানি শক্তির ব্যবহার করে সিআইএএল একটি স্বাস্থ্যকর এবং সবুজ গ্রহের জন্য বিশেষ অবদান রাখছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত পরিবহন-সম্পর্কিত কার্বন নির্গমনের ক্ষেত্রে এভিয়েশন শিল্প ১১ শতাংশ দায়ী। এক্ষেত্রে ভারতে কার্বন নির্গমন ও পরিবেশ দূষণে এ এভিয়েশন শিল্পের ভূমিকা কিছুটা কম হলেও তা একেবারে ফেলে দেওয়ার মতো নয়।

এ কারণে কোচিন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট লিমিটেডের উদ্দেশ্য শুধু বিমানবন্দরে বিমান-সম্পর্কিত নির্গমন বন্ধ করা নয় বরং পুরো বিমানবন্দর এবং সংশ্লিষ্ট সুবিধাগুলোকে সৌরশক্তির মাধ্যমে বিদ্যুৎ শক্তি প্রদান করার পদক্ষেপ নেওয়া। এর মাধ্যমে তারা বিশ্বের কাছে একটি বার্তা পাঠাতে চায় যে একটি মাঝারি আকারের বিমানবন্দরও সৌর শক্তির মাধ্যমে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারে।

এ বিষয়ে সিআইএএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস. সুহাস বলেন, কোচিন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট লিমিটেড (সিআইএএল) সর্বদাই সৌর শক্তির ওপর নির্ভর করে। কারণ এটার ব্যয় কম। এছাড়া সিআইএএল সব সময় টেকসই উন্নয়নের ধারণাগুলোকে কঠোরভাবে মেনে চলে। যেহেতু এ অঞ্চলটি বছরে প্রায় ৩০০ দিন রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া উপভোগ করে, তাই সৌর শক্তি হচ্ছে অন্যান্য জ্বালানির একটি আদর্শ বিকল্প।

সূত্র : ইন্ডিয়া ওয়ার্ল্ড ভিউ

ইউডি/আতা

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading