আগামী ১১ নভেম্বরের পর দেশের রাজপথ যুবলীগের দখলে থাকবে

আগামী ১১ নভেম্বরের পর দেশের রাজপথ যুবলীগের দখলে থাকবে

উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২২ । আপডেট ১৬:৪৫

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলছেন, আগামী ১১ নভেম্বরের পর সারা দেশের রাজপথ যুবলীগের দখলে থাকবে। আগামী ১১ নভেম্বর যুবলীগ সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করবে।

শনিবার (০৫ নভেম্বর) দুপুরে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে জেলা আওয়ামী যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি এখন মিছিল সমাবেশ করছে। আমরা বলছি এখন যত মিছিল সমাবেশ করার ইচ্ছে করে নেন। ওই দিনের পর সারা দেশের রাজপথ যুবলীগের দখলে থাকবে। তখন দেখা যাবে কত ধানে কত চাল।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি ভণ্ডদের দল, প্রতারকদের দল। এই দল এখন সভা সমাবেশের নামে দেশজুড়ে মিথ্যাচার করছে। মানুষকে মিথ্যা কথা বলে ধোকা দেওয়ার চেষ্টা করছে। সমাবেশে গিয়ে তাদের নেতারা নাকে কান্না করছে। মানুষের ভণ্ডামির সীমা আছে কিন্তু বিএনপির কোনো সীমা নেই। তাদের কোনো লজ্জা শরম নেই।

সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, বিএনপির সমাবেশ হলে আওয়ামী লীগ পরিবহন ধর্মঘট দেয় না। এই ধর্মঘট দেন পরিবহন শ্রমিকরা। কারণ পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা জানে বিএনপি অতীতে আন্দোলন সমাবেশের নামে জ্বালাও পোড়াও করেছে, ভাঙচুর করেছে। পেট্রল বোমা নিক্ষেপ করেছে, জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। এ কারণে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা বিএনপির হামলা ভাঙচুরের ভয়ে পরিবহন ধর্মঘট দেন। তারা ভয়ে গাড়ি বের করেন না। বিএনপির ভয়ে মানুষ ঘর থেকে বের হতে চায় না।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে। বিএনপি চাঁদাবাজদের দল। এই দলের শীর্ষ নেতা থেকে তৃণমূলের নেতা পর্যন্ত চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত। এখন চাঁদাবাজ দলের সঙ্গে জাতীয় পার্টির কিছু নেতা সুর মিলাচ্ছেন। অথচ বিএনপির শাসনামলে জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে সবচেয়ে বেশি নির্যাতন করা হয়েছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে এরশাদকে কারাগারে রাখা হয়েছিল। জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা এই ইতিহাস ভুলে গেছেন। অথচ বর্তমান সরকার এবং আওয়ামী লীগ এরশাদের দল জাতীয় পার্টিকে ভালো রেখেছে।

এদিকে দীর্ঘ ২৬ বছর পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে রংপুর জেলা যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন। রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সকাল থেকেই যুবলীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপচেপড়া ভিড়ে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়।

সম্মেলনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য শ্রী রমেশ চন্দ্র সেন এমপি, শাজাহান খান এমপি, বাণিজ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা টিপু মুন্সি, সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শফিক, সাবেক সংসদ সদস্য ও কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া।

ইউডি/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading