মহাকাশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সফল পরীক্ষা চালালো ইরান
উত্তরদক্ষিণ । রবিবার, ০৬ নভেম্বর ২০২২ । আপডেট ২২:২০
সফলভাবে স্যাটেলাইট ক্যারিয়ার গাইম-১০০ কে প্রথম সাবঅরবিটাল (নিম্নকক্ষপথ) পর্যায়ে পরীক্ষা করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। গত শনিবার তারা এ সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করে। রবিবার (০৬ নভেম্বর) দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এসব তথ্য জানিয়েছে।
আইআরজিসি এরোস্পেস ডিভিশনের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির হাজী হাজিজাদেহসহ ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পরীক্ষাটি চালানো হয়েছিল
গাইম-১০০ হলো একটি স্যাটেলাইট লঞ্চার যা আইআরজিসি এরোস্পেস বিজ্ঞানীদের দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। এ স্যাটেলাইট ক্যারিয়ারে তিনটি ধাপে কঠিন জ্বালানি ব্যবহার করা হয়েছে। এটা স্যাটেলাইটকে পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে ৫০০ কিলোমিটার ওপরের কক্ষপথে স্থাপন করতে পারবে।
এটা উৎক্ষেপণের সময় পাশে থাকা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় হাজিজাদেহ বলেন, যোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের নাহিদ স্যাটেলাইটটিকেও একটি গাইম-১০০ লঞ্চার দিয়ে কক্ষপথে রাখা হবে।
জুলাই মাসে হাজিজাদেহ আইআরজিসি-এর একটি পরিকল্পনা উন্মোচন করেছিলেন। যারা মাধ্যমে এ বছর গাইম-১০০ লঞ্চার ব্যবহার করে কক্ষপথে নতুন উপগ্রহ স্থাপন করা হবে।
আইআরজিসির মহাকাশ শাখা এ বছরের মার্চ মাসে কাসেদ লঞ্চার ব্যবহার করে নূর-২ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে এবং এটিকে পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে কক্ষপথে স্থাপন করে।
জুলাই মাসে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় “পূর্ব-নির্ধারিত গবেষণা উদ্দেশ্য”-সাধনের জন্য জুলজানাহ নামে তার স্বদেশী-উন্নত স্যাটেলাইট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় উৎক্ষেপণের ঘোষণা করেছিল। এটাকে ইরানি সামরিক বাহিনী একটি বড় অর্জন হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে।
জুলজানার প্রথম উৎক্ষেপণ ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে করা হয়েছিল এবং ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছিল।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার ইউরোপীয় মিত্ররা বারবার ইরানের মহাকাশ উৎক্ষেপণ যান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এছাড়া তারা তেহরানকে মহাকাশে স্যাটেলাইট ক্যারিয়ার রকেট পাঠানো বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি
ইউডি/আতা

