আইএমএফ ঋণ দেয়ায় বিএনপির গাত্রদাহ শুরু হয়েছে: ওবায়দুল কাদের
উত্তরদক্ষিণ । শুক্রবার, ১১ নভেম্বর ২০২২ । আপডেট ১৫:৩৫
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আইএমএফ বাংলাদেশকে ঋণ দেয়ায় বিএনপির গাত্রদাহ শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব থেকে এই ঋণ নিয়ে রাজনীতি করছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ঋণ পরিশোধের সামর্থ্য আছে বলেই আইএমএফ ঋণ প্রদানে সম্মত হয়েছে।
শুক্রবার (১১ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে আইএমএফ-এর ঋণ নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ‘অবান্তর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ মন্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনা মহামারির অভিঘাতের মধ্যেই ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের ফলে বিশ্বব্যাপী এক চরম অর্থনৈতিক অস্থিতরতা দেখা দিয়েছে। এই সংকটের অভিঘাতে জর্জরিত হচ্ছে আমাদের দেশের অর্থনীতিও। কেননা, বাংলাদেশ বিচ্ছিন্ন কোনও দ্বীপ নয়। এই সংকট মোকাবিলা করে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার মধ্য দিয়ে দেশের মানুষকে স্বস্তি দিতে সরকার সর্বাত্মক প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় সরকার আইএমএফ-এর কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করছে।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আইএমএফ-এর ঋণ নিয়ে অবান্তর মন্তব্য করেছে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রশ্ন তুলেছে। বিএনপির রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব এমন তলানিতে ঠেকেছে যে তারা এখন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর ঋণ নিয়েও রাজনীতি করছে। আওয়ামী লীগ সরকারের বর্তমান বাজেট বিএনপির সর্বশেষ বাজেটের তুলনায় প্রায় ১০ গণ বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ বিএনপির নেতারা আজ নির্লজ্জের মতো আইএমএফ-এর ঋণ নিয়ে কথা বলেন। রিজার্ভ নিয়ে কথা বলেন। প্রকৃতপক্ষে, বিএনপির নেতারা এই সংকটকে পুঁজি করে জনমনে আতঙ্ক ছড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, চলমান বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। বাংলাদেশের ঋণ পরিশোধের সামর্থ্য আছে বলেই আইএমএফ ঋণ প্রদানে সম্মত হয়েছে। যার মধ্য দিয়ে আরও একবার বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা প্রমাণিত হয়েছে। অথচ বিএনপির সময় অর্থনৈতিক সক্ষমতা বলতে কিছুই ছিল না। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরনির্ভরতার সেই সংকট থেকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উত্তরণ ঘটেছে। আইএমএফ-এর এই ঋণ জনগণের জন্য বোঝা না হয়ে সংকট মোকাবিলায় সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হবে।
ইউডি/সুপ্ত

