প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের দশম গ্রেড কেন নয় : হাইকোর্ট
উত্তরদক্ষিণ । সোমবার, ১৪ নভেম্বর ২০২২ । আপডেট ১৭:৪০
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন কাঠামো ত্রয়োদশ থেকে কেন দশম গ্রেডে উন্নীত করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাই কোর্ট।এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ারদীর হাই কোর্ট বেঞ্চ সোমবার (১৪ নভেম্বর) এ রুল দেয়।সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড উন্নীত করতে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কেন আইনগত কর্তৃত্ব বর্হিভূত ঘোষণা করা হবে না– তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, অর্থ সচিব, আইন সচিব, সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। রিটকারী শিক্ষকরা গত বছরের ২৮ নভেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে যে আবেদন করেছিলেন, তার নিষ্পত্তি করারও নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট।
আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান। আইনজীবী সুমন পরে গণমাধ্যমকে বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা ত্রয়োদশ গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন। সহকারী শিক্ষকরা যে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে আছেন, সে অনুসারে তারা বেতন পাচ্ছেন না। অথচ একই ধরনের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সিনিয়র নার্সরা দশম গ্রেডে বেতন পান। বিষয়টি নিয়ে রিট করলে তা শুনানি নিয়ে রুল দিয়েছে আদালত।
গত বছর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবরে একটি চিঠি দিয়েছিল প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক দশম গ্রেড বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদ। আইনজীবী সুমন আরও জানান, প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের দশম গ্রেড প্রদানে যৌক্তিকতার আলোকে প্রস্তাবনা প্রণয়ন প্রসঙ্গে’ শীর্ষক ওই চিঠির বিষয়টি আদালত নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছে।
জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল থানার পশ্চিম ইতাইলের বাসিন্দা মো. মাহবুবুর রহমান, একই এলাকার ফকিরপাড়ার মো. জহুরুল ইসলাম, ঢাকার শ্যামপুরের করিমউল্লাবাগের মুহাম্মদ আনোয়ার উল্লাহ, চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মির্জাপুরের জাহেদুল আলম, সিলেটের বিশ্বনাথের হাশনাজীর নজরুল ইসলামসহ ১৫ জন সহকারী শিক্ষক গত ৮ নভেম্বর এ রিট আবেদন করেন।
ইউডি/সুপ্ত

