পিকে হালদারের বিরুদ্ধে ১০ ব্যাংক কর্মকর্তার সাক্ষ্য
২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি পি কে হালদারের বিরুদ্ধে প্রায় ২৭৫ কোটি টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলা করে দুদক।
উত্তরদক্ষিণ । বুধবার, ২৩ নভেম্বর ২০২২ । আপডেট ১৬:৪৬
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে দুদকের মামলায় গ্লোবাল ইসলামী (সাবেক এনআরবি গ্লোবাল) ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে ১০ ব্যাংক কর্মকর্তা আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। বুধবার (২৩ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালতে তারা এ সাক্ষ্য দেন।
সাক্ষীরা হলেন— ব্যাংক এশিয়ার এভিপি নাসির উদ্দিন, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মনজুরুল হক, এভিপি নাইমুর রহমান, এফএভিপি আসিফুজ্জামান খান, এফএভিপি মাসুদুর রহমান, সিনিয়র অফিসার সালমান, এফএভিপি গোলাম রাব্বানী, এফএভিপি সৈয়দ আসাদ আহমেদ, এভিপি সুজায়েত খান মাহতাব ও ভিপি শেখ মুনীরুল হাকিম।
এদিন কারাগারে আটক চার আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের উপস্থিতিতে ১০ আসামির সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। তাদের জবানবন্দি শেষ হলে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জেরা করেন। জেরা শেষ হলে আদালত পরবর্তীতে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৩০ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।
মামলার আসামিরা হলেন— পিকে হালদারের মা লিলাবতী হালদার, পূর্ণিমা রানী হালদার, উত্তম কুমার মিস্ত্রি, অমিতাভ অধিকারী, প্রিতিশ কুমার হালদার, রাজিব সোম, সুব্রত দাস, অনঙ্গ মোহন রায়, স্বপন কুমার মিস্ত্রি, অবন্তিকা বড়াল, শংখ বেপারি, সুকুমার মৃধা ও অনিন্দিতা মৃধা।
তাদের মধ্যে আসামি অবন্তিকা বড়াল, শঙ্খ বেপারি, সুকুমার মৃধা, অনিন্দিতা মৃধা কারাগারে আটক রয়েছে। এ ছাড়া পিকে হালদারসহ ১০ আসামি পলাতক রয়েছে।
২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি পি কে হালদারের বিরুদ্ধে প্রায় ২৭৫ কোটি টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলা করে দুদক। এরপর তদন্ত করে দুদক পিকে হালদারসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।
ইউডি/এআই

