‘শেখ হাসিনা অনেক দিয়েছেন, আরও দেবেন’

‘শেখ হাসিনা অনেক দিয়েছেন, আরও দেবেন’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। তাকে বরণ করে নিতে যশোরের মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। সারা জেলায় সাজ সাজ রব পড়ে গেছে। প্রচুর উদ্দীপনা-উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।

উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর ২০২২ । আপডেট ১২:৫৯

যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পর পর তিন মেয়াদে ক্ষমতায় এসে যশোরবাসীকে অনেক কিছু উপহার দিয়েছেন, আরও দেবেন।’

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষে বুধবার (২৩ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় যশোর শহরের কাজীপাড়ায় ‘কাজী শাহেদ সেন্টারে’ গণমাধ্যমকে তিনি এ কথা বলেন।

কালনা সেতুর মাধ্যমে ঢাকা ও চট্টগ্রামের পরে সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী যশোর-খুলনা তৃতীয় অর্থনৈতিক করিডোর হিসেবে পরিচিতি পেতে যাচ্ছে। তারপরও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমাদের কিছু প্রাপ্তি বাকি আছে

কাজী নাবিল

কাজী নাবিল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যশোরবাসীকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দিয়েছেন, মেডিকেল কলেজ দিয়েছেন, শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক দিয়েছেন, ভৈরব নদ খনন শুরু করেছেন। সম্প্রতি আমাদের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষদের প্রাণের দাবি পদ্মা সেতু উদ্বোধন হয়েছে। এছাড়া অতি সম্প্রতি কালনা সেতু উদ্বোধন হয়েছে, যার মাধ্যমে দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সুন্দরভাবে যশোরের যোগাযোগ স্থাপন হয়েছে।’

‘কালনা সেতুর মাধ্যমে ঢাকা ও চট্টগ্রামের পরে সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী যশোর-খুলনা তৃতীয় অর্থনৈতিক করিডোর হিসেবে পরিচিতি পেতে যাচ্ছে। তারপরও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমাদের কিছু প্রাপ্তি বাকি আছে’

‘প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি, তিনি যেন যশোরকে সিটি করপোরেশন করে দেন। আমাদের আরেকটি দাবি, মেডিকেল কলেজের সঙ্গে ৫০০ শয্যার হাসপাতাল তৈরি করে দেওয়া। যশোর বিমানবন্দরটি অত্যন্ত পুরোনো। আমাদের দাবি, প্রধানমন্ত্রী এই বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিণত করে দেবেন। তিনি সব সময় আমাদের দক্ষিণবঙ্গের মানুষের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দিয়ে থাকেন। আমরা তার প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ’, বলেন তিনি।

কাজী নাবিল আহমেদ বলেন, ‘করোনা মহামারির পর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড হিসেবে ঢাকার বাইরে জনসভার জন্য যশোরকে বেছে নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। তাকে বরণ করে নিতে যশোরের মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। সারা জেলায় সাজ সাজ রব পড়ে গেছে। প্রচুর উদ্দীপনা-উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।

‘মানুষকে সমবেত করতে সকল জনপ্রতিনিধিকে নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। জনসভায় আসতে সবার মাঝে উদ্দীপনা দেখতে পাচ্ছি। আশা করছি, প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হবে। এর মাধ্যমে নির্বাচনের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের রাজনীতির নতুন একটি ধারা সূচিত হবে’, বক্তৃতায় যোগ করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার যশোর স্টেডিয়ামে বিশাল জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঐতিহাসিক এই ভেন্যুসহ পুরো শহর সমাবেশস্থলে পরিণত করতে গত সাত দিন ধরে ব্যস্ত সময় পার করছেন দলটির নেতারা। তারা বলছেন, এই জনসভায় স্মরণকালের জনসমাগম ঘটবে। শেখ হাসিনার আগমনকে কেন্দ্র করে উৎসাহ-উদ্দীপনা এখন যশোরজুড়ে।

ইউডি/এআই

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading