একসঙ্গেই বসবাস করছেন রাজ-পরীমণি
উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ০৫ জানুয়ারি ২০২৩ । আপডেট ১২:০০
নতুন বছরের শুরুতেই সংসার ভাঙার খবর দেন আলোচিত তারকা দম্পতি শরিফুল রাজ ও পরীমণি। গত এক সপ্তাহ ধরে একের পর এক তথ্য বেরিয়ে আসছে রাজ-পরীকে ঘিরে। তবে স্বামীর সঙ্গে সাংসারিক বিবাদের মধ্যেও ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ এর প্রচারণায় রাজধানীর বিএএফ শাহীন কলেজে দেখা গেছে পরীমণিকে।
২০২২ সালের শেষ দিন সংসার বিচ্ছেদের ইঙ্গিত দেন পরীমণি। বছরের প্রথম দিনেই বিছানা-বালিশে রক্তমাখা ছবি প্রকাশ করেন তিনি। সেদিনই আনুষ্ঠানিকভাবে জানান, সুস্থভাবে বাঁচতে চান। তাই বিচ্ছেদ অবধারিত। রাজও গণমাধ্যমে বলেন, ‘আমি কোনও ভুল করিনি। এবং আমাদের আর এক হওয়া হবে না।’
এ ঘটনার একদিন পরেই পরী গণমাধ্যমকে জানান, রাজ এখন তাদের বনানীর বাসায়। নানা ঘটনা ঘটলেও তারা একসঙ্গেই বসবাস করেন। গত ছয় দিনের মাত্র দুদিন রাজ-পরী আলাদা বাসায় ছিলেন।
তিনি বলেন, ‘আমি আমার বাসায় (বনানী) আছি। দুদিন পর রাতে ও (রাজ) আমার বাসায় ফিরেছে।’
দাম্পত্য কলহ নিয়ে তারকা অভিনেত্রী পরীমণি যতটা সরব, শরিফুল রাজ ছিলেন ততটাই নীরব। তবে সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চ্যালেঞ্জও ছুড়ে দেন অজ্ঞাতপরিচয় গডফাদারদের প্রতি।
লেখেন, ‘হ্যালো গডফাদারস অ্যান্ড গং। আই ওয়ান্ট টু নো ইউ গাইজ। আই লাইভ ইন ঢাকা, আই উড লাভ টু চিয়ার্স।’
পুরোটাই ব্যক্তিগত বিষয় হলেও কেউ কেউ মনে করছেন, আলোচনায় থাকতেই এমন ইস্যুগুলো তৈরি করছেন রাজ-পরী দম্পতি। যুক্তি হিসেবে তাদের দুজনের ভাষ্যগুলোও সামনে আনা হয়েছে।
বেশ কিছু সূত্র বলছে, পরী-রাজের বিষয়টি যতটা ফেসবুকে আসছে, তাদের মধ্যে এলে এত কিছু হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া পরীর বেডরুমে রক্তমাখা বালিশের ব্যাপারে তাদের বসুন্ধরার বাসার ম্যানেজার এক সংবাদমাধ্যমে জানান, এটা রাজের হাতের রক্ত।
তিনি বলেন, ‘ফ্ল্যাটগুলো দেখভাল করছি অনেক দিন। প্রতিদিনই তাদের (রাজ-পরী) সঙ্গে দেখা হয়। অনেকে ভেবেছেন, পরীমণি রাজকে মেরে রক্তাক্ত করেছেন; বিষয়টি তা নয়। অ্যাকুয়ারিয়াম রাখতে গিয়ে রক্তারক্তি হয়েছে। রাজ নিজেই অ্যাকুয়ারিয়াম সরাচ্ছিলেন। সেটি পড়ে ভেঙে রাজের হাত কেটে গেছে। ওই সময় রাজ্যও তো পাশে ছিল। এর বাইরে আমি কিছু বলতে পারব না।’
এদিকে, বুধবার সন্ধ্যাতেও গণমাধ্যমকে পরী জানান, তারা একসঙ্গে আছেন। সন্তানের মঙ্গলের বিষয়টি মাথায় রেখেই সবকিছু করবেন তিনি। অন্যদিকে চলছে ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ ছবির প্রচারণাও।
ইউডি/এ

