মতিয়া চৌধুরীর সংসদ উপনেতা হওয়ার গুঞ্জন
উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৩ । আপডেট ১৫:০৫
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী জাতীয় সংসদের উপনেতা হচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছে।
একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের বৈঠকে বিষয়টি চূড়ান্ত হতে পারে। বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) রাতে সংসদ ভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
বৈঠকে সংসদের উপনেতা চূড়ান্ত হলে স্পিকার পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী একাধিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছেন।
সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের বৈঠকে বিষয়টি উত্থাপন করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এরপর স্পিকারের কাছে সংসদ নেতার ইচ্ছা অনুযায়ী মতিয়া চৌধুরীর নাম উপনেতা হিসেবে প্রস্তাব করা হতে পারে। দুই-এক দিনের মধ্যে প্রজ্ঞাপন হতে পারে।
গত ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২২’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রসঙ্গক্রমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘একজন নারীকেই সংসদ উপনেতা করব।’
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ একটি গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘সংসদের চলতি অধিবেশনে সংসদ উপনেতার পদ পূরণ করা হতে পারে। আজকের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হতে পারে।’
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর সংসদ উপনেতা পদে ছিলেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। তার মৃত্যুর পর থেকে পদটি ফাঁকা রয়েছে। আর সংসদ নেতা হলেন আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের প্রধান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে আছেন মতিয়া চৌধুরী। দলটি বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় তাঁকে রাজপথে আন্দোলন-কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকতে দেখা গেছে। মুক্তিযুদ্ধ এবং পাকিস্তানবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা পালন করেন তিনি। রাজপথের লড়াই-সংগ্রামের কারণে তিনি ‘অগ্নিকন্যা’ হিসেবে পরিচিতি পান। সাদাসিধে জীবনযাপনে অভ্যস্ত মতিয়া চৌধুরীর ছাত্রজীবন থেকে এখনো রাজনীতিই আঁকড়ে আছেন।
সংসদ উপনেতার পদে সংসদের ভোটাভুটির প্রয়োজন হয় না। সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তাঁর অভিপ্রায়ের কথা স্পিকারের কাছে প্রকাশ করেন। এরপর স্পিকার সেটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠান। প্রজ্ঞাপন হলে সংসদ উপনেতার শপথ নিতে হয় না। তবে সংসদ উপনেতা মন্ত্রীর মর্যাদা ও সুবিধা উপভোগ করেন।
ইউডি/এ

