‘অটোমোবাইলস শিল্পের প্রসারে সহায়তা করবে সরকার’
উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ । আপডেট ১৭:০০
সরকার রফতানিমুখী শিল্পনীতি ও অটোমোবাইলস শিল্পের প্রসারে সবধরনের সহায়তা দেবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।
শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ময়মনসিংহের ভালুকায় রানার অটোমোবাইলস’র কারখানায় থ্রি-হুইলার প্লান্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সালমান এফ রহমান বলেন, ‘দেশে উৎপাদন হলেও এখনো থ্রি-হুইলারটি তৈরিতে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ যন্ত্রাংশের জন্য বিদেশের ওপর নির্ভর করতে হবে৷ তবে আমরা চাই এটা তৈরিতে সম্পূর্ণ সক্ষমতা অর্জন করি৷ রানার যে পথে হাঁটছে- সেটা হয়তো অদূরেই দেখা যাবে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে শিল্পে আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ ঘটাতে হবে।’
প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান উৎকর্ষে দ্রুত পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পারলে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো পিছিয়ে পড়তে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, বাজাজ প্রযুক্তিতে অনেক এগিয়ে আছে। রানারকেও তাদের সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। না হয় পিছিয়ে পড়তে হবে। আরেকটা বিষয় আমি আজকেই জানলাম, ইজিবাইক ও থ্রি-হুইলারের অনেকের নিবন্ধন নেই। এতে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে। আমরা জানতেই পারছি না যে, কার গাড়ি কে চালাচ্ছে। এই সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলব।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান বলেন, ‘প্রায় ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০ একর জমিতে গড়ে ওঠা রানারের প্লানটি প্রতিবছর ৩০ হাজার থ্রি-হুইলার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। বাজাজ অটোর প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় ইঞ্জিনের কিছু উপাদান ছাড়াও ওয়েল্ডিং, ড্যামিস ও বডিসহ অধিকাংশ যন্ত্রাংশ স্থানীয়ভাবে তৈরি হবে। এই কাজের জন্য নতুন করে আরও ৩০০ মানুষের কর্মসংস্থান হবে।’
অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য দেন রানারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী সুবীর চৌধুরী। এরপর বক্তব্য দেন বাজার অটোর প্রেসিডেন্ট কে এস গৃহপতি, বাংলাদেশ অটোমোবাইলস অ্যাসেম্বলার্স অ্যান্ড ম্যানুফ্যাচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও নিটল-নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল মাতলুব আহমাদ।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া, সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শেখর ও কাজিম উদ্দিন আহমেদ। উপস্থিত ছিলেন উত্তরা মটরসের চেয়ারম্যান মতিউর রহমানসহ অটোমোবাইল খাতের শীর্ষ প্রতিনিধিরা।
ইউডি/এ

