নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় রাশিয়া থেকে মাছ আমদানি বাড়িয়েছে ইইউ
উত্তরদক্ষিণ । রবিবার, ২৬ মার্চ ২০২৩ । আপডেট ১৭:৩০
ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের জেরে পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার ওপর বিভিন্ন দফায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও ২০২২ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) রাশিয়ার মাছের রফতানি ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। আর দেশটির মাছের সবচেয়ে বড় ক্রেতা ছিল নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড ও জার্মানি।
সম্প্রতি রাশিয়ান ফিশারি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশেনের (ভিএআরপিই) প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাতে এমন তথ্য জানিয়েছে রাশিয়ার রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যমে আরটি।
ইউরোস্ট্যাটের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বছর ব্যবধানে ২০২২ সালে রাশিয়া থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মাছের আমদানি ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯৮ দশমিক ৮ হাজার টনে। এদিকে জোটটিতে মাছ রফতানি করে রাশিয়ার রফতানি আয় ৫৭ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে। যা ৯৪০ মিলিয়ন ইউরো (১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি)। আর এ মাছের সবচেয়ে বড় ক্রেতা হচ্ছে নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড ও জার্মানি।
মাছের মোট চালানের ৪৭ শতাংশই হোয়াট ফিস। আর্থিক হিসাবে যা ৫৪ দশমিক ৭ শতাংশ। এছাড়া ৪১ শতাংশ হচ্ছে পোলক প্রোডাক্ট, আর্থিক হিসাবে যা ৩২ দশমিক ৩ শতাংশ।
এদিকে ২০২২ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৪ দশমিক ৪ মিলিয়ন টন মাছ ও সি ফুড আমদানি করেছে। যার মধ্যে ৪ দশমিক ৫ শতাংশই রাশিয়া থেকে আনা হয়েছে।
মূলত মাছ উৎপাদকদের জন্য ইইউ হচ্ছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বাজার। যেখানে রাশিয়া, চীন, নরওয়ে এবং আমেরিকা হচ্ছে জোটটিতে হোয়াইট ফিসের অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী। ইউরোপে মাছের রফতানি বাড়ার বিষয়ে ভিএআরপিই এর সভাপতি জার্মান জাভেরেভে বলেন, রাশিয়ার মাছের ওপর সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কায় পাইকারি বিক্রেতা ও প্রসেসররা মজুত করার জন্য আমদানি বাড়িয়ে দিয়েছেন।
রাশিয়া এ বছর নাগাদ বিশ্বের এক নম্বর আটলান্টিক কডের উৎপাদক হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করে জাভেরেভ বলেন, তবে ভবিষ্যতে এ খাতটির ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার যে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে, তাতে এ খাতটি চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
ইউডি/এ

