ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের পড়ন্ত বেলায় নতুন রাজার জন্য চ্যালেঞ্জ
উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ০৬ মে ২০২৩ । আপডেট ১২:৪৫
আজ শনিবার (০৬ মে) লন্ডনে ব্রিটেনের রাজা হিসেবে তৃতীয় চার্লসের আনুষ্ঠানিক অভিষেক হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে তার মা দ্বিতীয় এলিজাবেথের উত্তরসূরি হিসেবে ব্রিটিশ সিংহাসনে বসছেন তিনি। তবে কমনওয়েলভুক্ত অনেক দেশ রাজতন্ত্র থেকে বেরিয়া আসার পক্ষে থাকায় রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তার টিকে থাকাটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকগণ। ব্রিটেনেও রাজতন্ত্র নিয়ে রয়েছে সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে ক্ষোভ। এ নিয়ে আসাদ এফ রহমান’র প্রতিবেদন
রাজকীয় আয়োজনে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি বিরোধিতা
আজ আনুষ্ঠানিকভাবে অভিষেক হতে যাচ্ছে ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চালর্সের। গত ৭০ বছর ধরে ব্রিটেনের রাজমুকুটের উত্তরাধিকারী হিসেবে জীবন কাটিয়ে অবশেষে মুকুট পরতে চলেছেন চার্লস। এই অভিষেক অনুষ্ঠান উপলক্ষে ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবিতে দেশি-বিদেশি কয়েক হাজার অতিথির পাশাপাশি আশপাশে সেন্ট্রাল লন্ডনের রাস্তাগুলোতে উপস্থিত থাকবেন প্রজারা। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ বিশ্বনেতাদের মধ্যে রাজা চার্লসের অভিষেকে থাকছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রো, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ, জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ওয়াল্টার স্টেইনমায়ার, পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ দুদা, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেং প্রমুখ। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক, তার স্ত্রী অক্ষতা মূর্তিসহ মন্ত্রিসভার সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন।
তার রাজ্যাভিষেক ঘিরে পুরো ব্রিটেনে সাজ সাজ রব। ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের পড়ন্ত বেলায় নতুন রাজার সামনে রয়েছে একাধিক চ্যালেঞ্জ। রাজা তৃতীয় চার্লস এমন এক সময়ে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন যখন সারা বিশ্বেই রাজপ্রথার অস্তিত্ব প্রায় বিলুপ্তির দিকে। খোদ ব্রিটেনেই এখন অনেক মানুষ রাজপ্রথা চান না। সেখানে রাজা হিসেবে কেমন করবেন চার্লস- প্রশ্ন এখন জোরেশোরে উঠেছে। সেইসঙ্গে রাজা হিসেবে তার সামনে এখন কী কী চ্যালেঞ্জ রয়েছে তা নিয়েও কথাবার্তা চলছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের গত বছরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজা তৃতীয় চার্লসের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো প্রশ্নের মুখে পড়া রাজতন্ত্রকে শক্তিশালী করা। তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে যে প্রতিষ্ঠানটি পেয়েছেন, প্রকৃতিগতভাবে সেটি অগণতান্ত্রিক, টিকে থাকার জন্য জনসমর্থন প্রয়োজন। ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক এবং ব্রিটেনের সংবিধান বিশেষজ্ঞ রবার্ট হ্যাজেল বলেন, ব্রিটিশ রাজতন্ত্র একটি প্রতিষ্ঠান যা শুধু জনগণের সমর্থনে টিকে থাকতে পারে। ইউগভ পরিচালিত এক জরিপে দেখা যায়, ব্রিটেনের এক-পঞ্চমাংশ মানুষ নির্বাচিত রাষ্ট্রপ্রধান দেখতে চায়। রানি এলিজাবেথের জীবিত অবস্থায় তার প্রতি প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষের সমর্থন ছিল। রাজা তৃতীয় চার্লস জনপ্রিয়তায় রানি এলিজাবেথের ধারেকাছেও নেই।
একমাত্র রাজনৈতিক নেতাদের দায়িত্বে আসার পর জনপ্রিয়তা বাড়তে পারে। রাজা চার্লসের ক্ষেত্রে এটা নির্ভর করবে তিনি রাজপরিবারকে কীভাবে পরিচালিত করছেন তার ওপর। রাজা চার্লস যে এরই মধ্যে বেশ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন তা কয়েকটি ঘটনায় দৃশ্যমান। কারণ সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের বেশ কয়েক জায়গায় খুব ছোট আকারে হলেও রাজতন্ত্রবিরোধী মিছিল হয়েছে। রাজার দিকে একাধিকবার ডিম নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটেছে। কাজেই রাজতন্ত্র টিকিয়ে রাখার কাজটি রাজা চার্লসের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। এ ছাড়া ব্রিটিশ রাজপরিবারের বিরুদ্ধে বর্ণবাদের মতো গুরুতর একটি অভিযোগ রয়েছে যা সামাল দিতে হবে রাজা চার্লসকে। রাজা চার্লসের ছোট ছেলে প্রিন্স হ্যারি রাজপরিবার ছেড়ে স্ত্রী মেগান মার্কেলকে নিয়ে আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছেন। তাদের রাজপ্রাসাদ ছাড়ার পেছনে বর্ণবাদও এক কারণ বলে অভিযোগ রয়েছে। দিন দিন তিক্ত হয়ে উঠেছে তাদের এ সম্পর্ক যা ভবিষ্যতে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ব্রিটিশ রাজপরিবার যে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, তা কীভাবে রাজা চার্লস সামাল দেবেন, তা সময়ই বলে দেবে।
কোন পথে ব্রিটিশ রাজতন্ত্র
ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে যুবরাজ থাকা চার্লস রাজা হয়েছেন। গত বছর সেপ্টেম্বরে রাজা চার্লসের মা রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ মারা যান। এলিজাবেথ দীর্ঘ ৭০ বছর ব্রিটিশ সিংহাসনের দায়িত্ব সামলেছেন। রাজা হওয়ার পর ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের কিছু নিয়মে পরিবর্তন আনবেন, এমনটাই আভাস দিয়েছিলেন চার্লস। বিশেষ করে প্রিন্স অব ওয়েলস থাকার সময় পরিবেশের সুরক্ষায় জোরাল কণ্ঠে প্রচার চালিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু রাজা হওয়ার পর তার সে জোরাল কণ্ঠ পাওয়া যাচ্ছে না। সামালোচকদের বিশ্বাস, রাজতন্ত্রের ক্ষতি হতে পারে আশঙ্কা থেকে তিনি হয়তো চুপচাপ হয়ে গেছেন। গত কয়েক বছর ধরে চার্লস নিজেও বলে আসছিলেন, তিনি বেশ ভালভাবে বুঝতে পারছেন রাজা হওয়ার পর যুবরাজ হিসেবে তিনি যেসব প্রচার কাজে অংশ নিচ্ছে সেগুলোর কিছু কাজ তিনি আর করতে পারবেন না।
সাধারণ মানুষের মধ্যে রাজা চার্লস তার মা প্রয়াত রানি এলিজাবেথের মত ব্যাপক প্রশংসিত না হলেও এখন পর্যন্ত তার প্রতি জনসমর্থন ইতিবাচকই বলা যায়।গত সপ্তাহে এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, অনেক বেশি মানুষ এখন রাজা চার্লসের প্রতি নেতিবাচক মনোভাবের পরিবর্তে তাকে সমর্থন দিচ্ছেন।এ বিষয়ে এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্রিটিশ পলিটিক্স বিষয়ে জ্যেষ্ঠ প্রভাষক হারশান কুমারাসিংঘাম বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, চার্লসের মাথার উপর এখনো কিছু কালো মেঘ রয়ে গেছে। রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের আমলে জনসম্মুখে প্রজাতান্ত্রিক মানসিকতা প্রকাশ একেবারেই ছিল না। কিন্তু রাজা চার্লসের আমলে তা দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। ব্রিটিশ রাজ পরিবারের প্রতি ভিন্ন ভিন্ন বয়সের মানুষের মনোভাব ভিন্ন। বয়স্ক লোকজন রাজপরিবারকে সমর্থন দিলেও তরুণদের কাছে তাদের আবেদন তুলনামূলক কম। এক জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে বেশিরভাগ মানুষ রাজতন্ত্র অব্যাহত রাখার পক্ষে, সংখ্যার হিসাবে যা প্রায় ৫৮ শতাংশ। আর ২৬ শতাংশ অংশগ্রহণকারী বলেছেন, তারা চান নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচিত হোক।
রাজতন্ত্র থেকে বেরিয়ে আসতে চায় অনেক দেশ
শুধু ব্রিটেনেরই নয়, সাবেক ব্রিটিশ উপনিবেশ বা কমনওয়েলথভুক্ত আরও ১৪টি দেশের রাজা হচ্ছেন চার্লস। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, কত দিন চার্লস এসব দেশের রাজা বা রাষ্ট্রপ্রধান থাকতে পারবেন? মায়ের মতো গ্রহণযোগ্যতা তারও থাকবে নাকি একে একে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের আলংকারিক এই পদ ছাড়তে হবে একসময়ের ঔপনিবেশিক দেশটির রাজাকে?
আজ অভিষেকের মধ্য দিয়ে রাজা চার্লস আনুষ্ঠানিকভাবে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বারবুডা, ব্রাহামাস, বেলিজ, গ্রেনাডা, জ্যামাইকা, পাপুয়া নিউগিনি, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, টুভালু, সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড গ্রেনাদাইনসের রাজারও দায়িত্ব নিচ্ছেন। আটলান্টিক মহাসাগর ও ক্যারিবীয় সাগরের মধ্যবর্তী জায়গায় ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস। ক্যারিবীয় অঞ্চলে এখানেই প্রথম ব্রিটিশ উপনিবেশ সাম্রাজ্যের সূর্য উদিত হয়। কিন্তু স্বাধীনতার চার দশক পর এসেও বিতর্ক রয়ে গেছে, দেশটি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ব্রিটিশ রাজার অধীনতা মানবে কি না।

অ্যান্থনি আলবানিজ
সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিসের একটি পানশালার ম্যানেজার জুলিয়ান মরটন বলেন, রাজার অধীন না থেকে প্রজাতন্ত্র হওয়া ভালো। এতে বিশ্ববাসী বুঝতে পারবে, আমরা আমাদের নিজেদের বিষয়গুলো নিজেরাই সামলাতে পারি। রাষ্ট্রপ্রধানের পদ থেকে ব্রিটিশ রাজাকে সরাতে হলে ক্যারিবীয় দেশগুলোয় গণভোট আয়োজন করতে হবে। শুধু বেলিজের পার্লামেন্ট চাইলে নিজেরাই এ উদ্যোগ নিতে পারে। এর আগে ২০০৯ সালে সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড গ্রেনাদাইনসে এমন একটি গণভোট আয়োজন করা হয়েছিল। এই গণভোটে ৪৫ শতাংশ ভোটার রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে তাদের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দেখতে চাননি।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের মতে, একদিন না একদিন রাজতন্ত্র থেকে বেরিয়ে আসবে অস্ট্রেলিয়া। এটা অনিবার্যভাবে হবে। এ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে দেশটিতে একজন কনিষ্ঠ মন্ত্রীও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস হিপকিনস মনে করেন, একদিন তার দেশ রাজতন্ত্রের সঙ্গে সম্পর্ক চুকিয়ে দেবে। বিশ্লেষকদের মতে, রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের যতটা গ্রহণযোগ্যতা ছিল, ততটা চার্লসের নেই। তাই কমনওয়েলভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তার টিকে থাকা কঠিন হতে পারে। তার আমলে অনেকগুলো দেশই রাজতন্ত্র থেকে বেরিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ জোরেশোরে নিতে পারে।

ক্রিস হিপকিনস
কানাডাতেও রাজা চার্লস তার মা প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মতো অতটা জনপ্রিয় নন। বিভিন্ন জনমত জরিপেও দেখা গেছে দেশটিতে রাজতন্ত্র থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার জন্য মানুষের আগ্রহ দিন দিনই বাড়ছে। এপ্রিলে অ্যাঙ্গুস রেইড এর সর্বসা¤প্রতিক একটি জরিপের প্রকাশিত ফলে দেখা গেছে, বেশির ভাগ কানাডীয়- অর্ধেকের কিছু বেশি- চায় না অস্ট্রেলিয়া প্রজš§র পর প্রজন্ম ধরে সাংবিধানিক রাজতন্ত্র চালু রাখুক। জরিপে অংশ নেওয়া প্রতি ৫ জনে দুইজনই বলেছেন, চার্লসের রাজ্যাভিষেক নিয়ে তাদের কোনও মাথাব্যাথ নেই।
আর্থিক সংকট: রাজ্যাভিষেকের খরচ নিয়ে ক্ষোভ
রাজা তৃতীয় চার্লসের রাজ্যাভিষেকে মোট ১৩০০ কোটি টাকা (১০০ মিলিয়ন পাউন্ড) খরচ হবে। এমন চাঞ্চল্যকর পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টাইম ম্যাগাজিন। সব ব্যয়ভার বহন করবে ব্রিটিশ সরকার। দেশের আর্থিক সংকটের মধ্যে এমন খরচের ভার চাপানো নিয়ে ক্ষুব্ধ ব্রিটেনের সাধারণ মানুষ। রাজ্যাভিষেকের অনুষ্ঠানের দিনই বিক্ষোভ দেখানোরও পরিকল্পনা করেছেন রাজতন্ত্রের বিরোধীরা।

দৈনিক উত্তরদক্ষিণ । ০৬ মে ২০২৩ । প্রথম পৃষ্ঠা
জানা গেছে, অপারেশন গোল্ডেন অর্ব কমিটি নামে একটি সংস্থাকে রাজ্যাভিষেকের অনুষ্ঠান আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের তরফেই জানানো হয়েছে, ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ হবে অনুষ্ঠানে। যেহেতু এটি সরকারি অনুষ্ঠান, তাই যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করতে হবে প্রশাসনকেই। সাধারণ মানুষের করের টাকা কেন এই অনুষ্ঠানে খরচ হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ব্রিটিশরা। আগামী ৬ মে রাজ্যাভিষেক হবে তৃতীয় চার্লসের। ওইদিন গোটা ব্রিটেনজুড়ে সব ব্যাংক বন্ধ থাকবে। সেই কারণেও বিশাল ক্ষতি হবে ব্রিটেনের অর্থনীতিতে। ইতোমধ্যেই একাধিক বিতর্ক দানা বেঁধেছে এই অনুষ্ঠান ঘিরে। রাজতন্ত্রের বিরোধী সংগঠনগুলো অনুষ্ঠানের দিনে দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে।
একটি সংগঠনের তরফে বলা হয়েছে, বংশ পরম্পরায় দেশের প্রধান হচ্ছেন কেউ, সেটা গণতন্ত্রবিরোধী। এছাড়াও দেশের নানা সুযোগ সুবিধার অপব্যবহার করছে রাজপরিবার। তার বদলে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত কোনও প্রতিনিধিকে দেশের প্রধানের পদে বসানো হোক।
ইউডি/এজেএস

