সুন্দরবনে বনজীবী ও পর্যটকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

সুন্দরবনে বনজীবী ও পর্যটকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ০১ জুন ২০২৩ । আপডেট ১২:০০

বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনে সব ধরনের পর্যটকসহ, বনজীবী প্রবেশে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বনবিভাগ। ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট দিবাগত মধ্যরাত পর্যন্ত সুন্দরবনে পর্যটক প্রবেশ, সাধারণ মানুষের চলাচলসহ সুন্দরবনের নদী-খালে মাছ ধরাসহ সকল প্রকার সম্পদ আহরণ নিষিদ্ধ থাকবে।

এর আগে সামুদ্রিক মৎস্য প্রজাতির প্রজননে মৎস্য বিভাগ ২০ মে মধ্যরাত থেকে ৫৬ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করে। মৎস্য বিভাগের পাশাপাশি ওইদিন থেকে সুন্দরবনে সব ধরনের মৎস্য আহরণে ১০৩ দিনের নিষেধাজ্ঞা দেয় বনবিভাগ।

বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, সুন্দরবনে বাংলাদেশ অংশের আয়তন প্রায় ৭ হাজার বর্গ কিলোমিটার।

বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবনে বর্তমানে ১১৪টি রয়েল বেঙ্গল টাইগার, ২ লাখের বেশি হরিণসহ ৩৭৫ প্রজাতির বন্যপ্রাণী রয়েছে। ম্যানগ্রোভ এই বনের তিনটি এলাকাকে ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হ্যরিটেজ সাইড ঘোষণা করে। সুন্দরবনে মধ্যের ১৮৭৪ বর্গ কিলোমিটার জলভাগে কুমির, ৬ প্রজাতির ডলফিনসহ ২৯১ প্রজাতির মাছ রয়েছে।

সুন্দরবনের এই বিশাল জলভাগ বিশ্বের বৃহৎ জলাভূমি রামসার এলাকা হিসেবেও স্বীকৃত। সুন্দরবন জীববৈচিত্র্য ভরপুর হওয়ার কারণে বনবিভাগ সুন্দরবনের প্রতি বছরই বন্যপ্রাণী ও মাছের প্রজনন মৌসুমে কয়েক মাসের জন্য দেশি-বিদেশি পর্যটকসহ সব ধরনের বনজীবীদের প্রবেশে বন্ধ ও মৎস্য সম্পদ আহরণে নিষেধাজ্ঞার জারি করে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার সুন্দরবনে মাছের প্রজনন মৌসুমে ২০ মে মধ্যরাত থেকে মৎস্য আহরণে ১০৩ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

এসব নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের জন্য কঠোরভাবে কাজ করছে বনবিভাগ। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সুন্দরবনের প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগার, হরিণসহ মাছের প্রজনন বেড়ে যাবে বলেও জানান ওই বন কর্মকর্তা।

ইউডি/এ

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading