আমেরিকা ছাড়ছেন হার্ড, নতুন আবাস মাদ্রিদ

আমেরিকা ছাড়ছেন হার্ড, নতুন আবাস মাদ্রিদ

উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ০৩ জুন ২০২৩ । আপডেট ১৪:৫০

হলিউডের পাততাড়ি গুটিয়ে স্পেনে চলে যাচ্ছেন আমেরিকার আলোচিত অভিনেত্রী অ্যাম্বার হার্ড। তিনি জানিয়েছেন, দেশটি তার ভালো লাগছে; পরিকল্পনা আছে মাদ্রিদে স্থায়ী হওয়ার।
প্রাক্তন স্বামী ‘পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান’ তারকা জনি ডেপের সঙ্গে দীর্ঘ আইনি লড়াই এবং সেই মামলায় হারের পর শোনা গিয়েছিল হার্ড লস অ্যাঞ্জেলেস ছেড়ে পাড়ি জমাচ্ছেন অন্য কোথাও।

এনডিটিভি জানিয়েছে, টিকটকে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা গেছে, ‘অ্যাকুয়াম্যান’ তরকা হার্ড স্প্যানিশ ভাষায় জানাচ্ছেন, দেশটি (স্পেন) তার দারুণ পছন্দ হয়েছে।
ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, মাদ্রিদে একটি বাড়ির সামনে একজন সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলছেন হার্ড, সঙ্গে আছে তার দুই বছর বয়সী ‘সারোগেট ‘মেয়ে ওনাগ পাইগে।

হার্ডের কাছে সাংবাদিক জানাতে চাইছেন, নতুন শহরে দিন কেমন কাটছে তার। হার্ড বলেন, “আমি স্পেন দেশটাকে ভালোবাসি।ভাবছি মাদ্রিদে থেকে যাব। তবে সিনেমার কাজও পাশাপাশি চলবে। জনি ডেপের উপস্থিতির প্রসঙ্গ তোলার পর হার্ড বলেন, “আমি এগিয়ে যাচ্ছি, কারণ জীবন এমনই।“

এদিকে চুটিয়ে নতুন নতুন সব কাজ চালিয়ে যাওয়া ডেপও ‘ভালো’ নেই। পায়ের গোড়ালির হাড় ফেটেছে এই নায়কের। তাই সব কাজ থেকে ছুটি নিয়ে আপাতত অবসরে আছেন।
ডেপের পায়ে চোটের কারণে পেছানো হয়েছে তার রক ব্যান্ড ‘হলিউড ভ্যাম্পায়ারস’ এর আমেরিকা সফরের সময়সূচি।

ইনস্টাগ্রামের স্টোরিতে ডেপ লিখেছেন, “তোমাদের সবাইকে আমি নিউ হ্যাম্পশায়ার, বস্টন, নিউ ইয়র্কে মিস করব। কথা দিচ্ছি ইউরোপের শোতে তোমাদের সব আক্ষেপ পুষিয়ে দেব আমি। আবারও সবার কাছ থেকে ক্ষমা চাইছি।“

২০১৫ সালে ঘর বেঁধেছিলেন জনি ডেপ ও অ্যাম্বার হার্ড, কিন্তু দুই বছরের মধ্যে ঘটে তাদের বিচ্ছেদ।

এরপর ২০১৮ সালে ওয়াশিংটন পোস্টে এক নিবিন্ধে নিজেকে পারিবারিক সহিংসতার শিকার হিসেবে তুলে ধরেন হার্ড। তাতে ক্ষুব্ধ হয়ে সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে ৫ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মানহানির মামলা করেন ডেপ। তার পাল্টায় ১০ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে পাল্টা মামলা করেন হার্ড। গত বছরের ২ জুন আমেরিকার ভার্জিনিয়ার ফেয়ারফ্যাক্স কাউন্টি আদালত সিদ্ধান্ত দেয়, পরস্পরের মানহানির মামলা করেছেন দুই অভিনেতাই। সেজন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে ডেপকে এক কোটি তিন লাখ ডলার দেবেন হার্ড। আর ক্ষতিপূরণ হিসেবে হার্ড পাবেন ২০ লাখ ডলার।

ওই রায়ের ছয় মাস পর আপস রফার সুর শোনা যায় হার্ডের কণ্ঠে। সে সময় ইনস্টাগ্রামে হার্ড লিখেন, অনেক চিন্তা-ভাবনার পর তিনি আপস নিষ্পত্তির এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
“বলা দরকার, এই পথে আমি আসতে চাইনি। আমি আমার সত্য রক্ষা করেছি, আর এটা করতে গিয়েই আমার জীবন ধ্বংস হয়ে গেছে। “

মামলায় হারের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্নভাবে বঞ্চনার শিকার হওয়ার কথা জানিয়ে তিনি লেখেন, “অবশেষে নিজেকে কোনোকিছু থেকে দূরে থাকার একটি সুযোগ এসেছে, ছয় বছর আগে যে চেষ্টা করেছিলাম।”

ইউডি/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading