নেপাল থেকে ৫০০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ আমদানি কার্যক্রম চূড়ান্ত: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
উত্তরদক্ষিণ । মঙ্গলবার, ১৩ জুন ২০২৩ । আপডেট ১৮:০০
বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, ইলেকট্রিক্যাল ভেহিক্যালের প্রসারে বিদ্যুৎ বিভাগ উদ্যোগী হয়ে কাজ করছে। ইতোমধ্যে ইভি গাইডলাইন বা পলিসি তৈরি করা হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ প্রায় চার মিলিয়ন ইজিবাইক (ব্যাটারিচালিত তিন চাকার যান) বিদ্যমান। এখানে লেড ব্যাটারির পরিবর্তে লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহার করা প্রয়োজন। মঙ্গলবার (১৩ জুন) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধি দলের অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় বিদ্যুৎ বিভাগ এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সাত সদস্যের দলের পক্ষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ও বিশ্বব্যাংকের আট সদস্যের প্রতিনিধি দলের পক্ষে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রেইজার নেতৃত্ব দেন। বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রেইজার ক্রস বর্ডার ট্রেড, আঞ্চলিক পাওয়ার পুল, দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক পাওয়ার মার্কেট, নেপাল ও ভুটান থেকে বিদ্যুৎ আমদানি ও ই-মবিলিটি নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় জ্বালানি খাতের বিদ্যমান ও আসা প্রকল্প নিয়েও আলোকপাত করা হয়।
নসরুল হামিদ আরও বলেন, নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আগামী দুই বছরের মধ্যে ২০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবে। নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আগামী পাঁচ থেকে ছয় বছরের মধ্যে আরও ৬০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাইপলাইনে রয়েছে। কয়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করায় প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ চলে গেছে কিন্তু ওই পরিমাণ অর্থ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে আসছে না।
নেপাল থেকে ৫০০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ আমদানি কার্যক্রম প্রায় চ‚ড়ান্ত জানিয়ে তিনি বলেন, নেপাল-ভুটান থেকে আরও জলবিদ্যুৎ আমদানি করতে চাই। ভারতের পাওয়ার মার্কেট থেকে বিদ্যুৎ আমদানির বিষয়টিও সক্রিয় বিবেচনায় আছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংক, কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করতে পারে। ট্রান্সমিশনে বিদ্যুৎ লাইন বেসরকারি খাতে দেওয়ার জন্যও বিদ্যুৎ বিভাগ কাজ করছে।
ইউডি/এজেএস

