আপাতত বিচারপতি পদে ফিরছেন না আলতাফ-শিবলী

আপাতত বিচারপতি পদে ফিরছেন না আলতাফ-শিবলী
প্রতীকী ছবি

উত্তরদক্ষিণ । বুধবার, ১৪ জুন ২০২৩ । আপডেট ১৩:০০

সাবেক অতিরিক্ত বিচারপতি এ বি এম আলতাফ হোসেন ও ফরিদ আহমেদ শিবলীর স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিতে করা রিট খারিজের বিরুদ্ধে আপিল পর্যবেক্ষণসহ নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।

বুধবার (১৪ জুন) সকালে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. নুরুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির বেঞ্চ এ রায় দেন। পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হলে পর্যবেক্ষণে কী বলা হয়েছে তা জানা যাবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

২০১২ সালের ১৪ জুন এ বি এম আলতাফ হোসেনসহ মোট ছয়জনকে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে হাইকোর্টে নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু অতিরিক্ত বিচারপতি হিসাবে দুই বছর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আলতাফকে বাদ দিয়ে অন্য পাঁচজনকে ২০১৪ সালের ৯ জুন স্থায়ী করা হয়।

এরপর স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেতে হাইকোর্টের নির্দেশনা চেয়ে একই বছরের ১২ আগস্ট রিট আবেদন করেন এ বি এম আলতাফ হোসেন।

এদিকে বিচারপতি এ বি এম আলতাফ হোসেনকে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দানের নির্দেশনা চেয়ে ওই বছরের ২৩ জুলাই পৃথক একটি রিট দায়ের করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ ইদ্রিসুর রহমান।

একই বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট দুটি রিটই খারিজ করে দেন। এর বিরুদ্ধে আপিলের অনুমিতে চেয়ে আবেদন করেন বিচারপতি আলতাফ।

২০১৪ সালের ৬ নভেম্বর তার লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি) মঞ্জুর করে সাতজন অ্যামিকাস কিউরি নিয়োগ দেন আপিল বিভাগ।

অ্যামিকাস কিউরিরা হলেন- ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার রফিক-উল হক, এম আমীর-উল ইসলাম, মাহমদুল ইসলাম (পরে প্রয়াত ), আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, আজমালুল হোসেন কিউসি ও এএফ হাসান আরিফ। বর্তমানে তার আপিলটি শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

বিচারপতি ফরিদ আহমদ শিবলীসহ ১০ জন ২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দুই বছরের জন্য অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। পরের দিন তারা শপথ নেন। ওইদিন থেকেই তাদের নিয়োগ কার্যকর হয়।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শক্রমে হাইকোর্টে নিয়োগ পাওয়া ১০ অতিরিক্ত বিচারপতির মধ্যে ওই ৮ জনকে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি।

এর মধ্যে বিচারপতি জে এন দেব চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেন। অপরদিকে বিচারপতি ফরিদ আহমদ শিবলী বাদ পড়েন।

স্থায়ী নিয়োগ না দেওয়ার সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত ১২ ফেব্রুয়ারি রিট করেন শিবলী। ওইদিনই তার আবেদনটি নিস্পত্তি করেন দেন বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ। হাইকোর্ট রিটের বাদী বিচারপতি শিবলীকে আপিল বিভাগে যাওয়ার পরামর্শ দেন। সে অনুসারে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি আপিলে আবেদন করেন বিচারপতি শিবলী।

ইউডি/এ

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading