রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত: পারমাণবিক যুদ্ধে মোড় নিচ্ছে?
উত্তরদক্ষিণ । রবিবার, ১৮ জুন ২০২৩ । আপডেট ১৩:৪৫
বেলারুশে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের খবর নিশ্চিত করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। পশ্চিমাদের সতর্ক করতেই এমন সিদ্ধান্ত জানান তিনি। এ কারণে রুশ-ইউক্রেন সামরিক সংঘাত কি পারমাণবিক যুদ্ধে রূপ নিতে যাচ্ছে- এ প্রশ্ন উঠে আসছে। এ নিয়ে সাদিত কবির’র প্রতিবেদন
সোভিয়েত পতনের পর রাশিয়ার বাইরে প্রথম পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন ইতোমধ্যে বেলারুশে তাদের কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রের প্রথম ধাপ স্থাপন করা হয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট এক ফোরামে বলেন এটা তখনই ব্যবহার করা হবে যখন রাশিয়ার কোন অঞ্চল বা রাষ্ট্র হুমকিতে পড়বে। যদিও আমেরিকা বলছে, ইউক্রেনে হামলার জন্য রাশিয়া পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে এমন কোন ইঙ্গিত নেই। রাশিয়া বলেছে, ওয়াশিংটন কয়েক দশক ধরেই ইউরোপে ঠিক এই ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র স্থাপন করে রেখেছিল। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর এই প্রথম রাশিয়া নিজের সীমান্তের বাইরে এ ধরনের অস্ত্রের মোতায়ন করলো।
রাশিয়ার দাবি, আমেরিকা কয়েক দশক ধরে ইউরোপে তাদের পারমাণবিক অস্ত্রের বিশাল অস্ত্রাগার রেখেছে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের পরিস্থিতির জন্য আমেরিকা তার ন্যাটোভুক্ত মিত্রদের সঙ্গে পারমাণবিক ভাগাভাগি ব্যবস্থা ও অনুশীলনে অংশ নিচ্ছে।কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র বলতে ছোট পারমাণবিক ওয়ারহেড বোঝায়। এছাড়া যুদ্ধক্ষেত্রে সীমিতভাবে ব্যবহারের জন্য এক ধরণের ডেলিভারি সিস্টেম বা সরবরাহ ব্যবস্থা। সাধারণত সীমিত আক্রমণের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। এগুলো এমনভাবে তৈরি যা শত্রুকে একেবারে নির্দিষ্ট জায়গায় আঘাত করতে পারে এবং তেজস্ক্রীয়তা অতোটা ছড়ায় না।
সবচেয়ে ছোট কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রের ওজন এক কিলোটন বা তার কম (১ হাজার কেজি টিএনটি বিস্ফোরকের সমপরিমাণ)। আর সবচেয়ে বড়টির ওজন হতে পারে ১০০ কিলোটন পর্যন্ত। আমেরিকা ১৯৪৫ সালে জাপানের হিরোশিমায় যে বোমা ফেলেছিল সেটি ছিল ১৫ কিলোটন।
রাশিয়া হুমকিতে পরলে বিশ্ব হুমকিতে পড়বে, পুতিনের হুঁশিয়ারি
পুতিন জানান, কৌশলগত পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো এই গ্রীষ্মের মধ্যেই স্থানান্তর সম্পন্ন হবে। সেন্ট পিটার্সবার্গে আন্তর্জাতিক ইকোনমিক ফোরামে বক্তৃতা শেষে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, তার এই পদক্ষেপটি মূলত ‘নিয়ন্ত্রণ’ এবং যারা ‘আমাদের কৌশলগত পরাজয়ের চিন্তা করছে’ তাদের সতর্ক করার জন্য। পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে ফোরামের পরিচালকের করা প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা পুরো পৃথিবীকে কেন হুমকি দেব? আমি আগেই বলেছি যে আমরা এই চরম পদক্ষেপ তখনই নেব যখন রাশিয়া রাষ্ট্রের উপর কোন বিপদ নেমে আসবে।

ভ্লাদিমির পুতিন
পুতিন আবারও জোর দিয়ে বলেছেন, ইউক্রেন যে পাল্টা আক্রমণ চালাচ্ছে সেটাকে তাদের সফল হবার কোন সম্ভাবনাই নেই।ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর খুব শিগগিরই তাদের নিজস্ব সরবরাহ শেষ হয়ে যাবে এবং তখন তাদের শুধুমাত্র পশ্চিমা দেয়া সরবরাহ ব্যবহার করতে হবে। তিনি আরও বলেন, আপনি এইভাবে বেশিদিন যুদ্ধ চালাতে পারবেন না। সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন যদি ইউক্রেনকে কোন এফ-১৬ যুদ্ধ বিমান দেয়া হয় সেগুলো সব ধ্বংস হবে আর এ নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। এ বিষয়ে পিটারসবার্গে ভাষণে প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেছেন, রণক্ষেত্রে লেপার্ডসহ অন্যান্য ট্যাংক ধ্বংস করে দিচ্ছে রাশিয়া।
বিদেশের মাটিতে যুদ্ধে সরঞ্জামগুলো কীভাবে ব্যবহার হয় তা আমরা দেখবো। এসব আমাদের লক্ষ্যবস্তু হবে। এই সামরিক সংঘাতে ন্যাটোকে টানা গুরুতর বিপদ হবে।অর্থনৈতিক ফোরামে তিনি আরও বলেছেন, রাশিয়ার যে বিপুল পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে, তা নিজেদের নিরাপত্তার গ্যারান্টির জন্য। ন্যাটোর সদস্যদের তুলনায় মস্কোর কাছে বেশি অস্ত্র রয়েছে আমাদের।
পারমাণবিক যুদ্ধের শঙ্কা কেন এতটা উদ্বেগজনক?
রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার যেসব সমস্যা শান্তিপূর্ণ উপায়ে সেসব সমাধানে মস্কোর সঙ্গে সংলাপের প্রস্তাব ফের বাতিল করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তার মতে, এই সংলাপ ইউক্রেনের জন্য কোনো সুফল বয়ে আনবে না। কিয়েভে আফ্রিকা মহাদেশভুক্ত দেশগুলোর জোট আফ্রিকান ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলেনস্কি বলেন, আমি এর আগেও বহুবার বলেছি এবং আজ আবারও বলছি যে, রুশ দখলদার বাহিনী এখনও আমাদের ভূখন্ডে রয়েছে এবং এখন মস্কোর সঙ্গে সংলাপের অর্থ হলো এখানে চলমান সংঘাত, যন্ত্রণা এবং ভোগান্তিকে আরও দীর্ঘমেয়াদী ও স্থায়ী করা।

ভলোদিমির জেলেনস্কি
আট দশক ধরে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করে আসছে বিশ্ব। বেশ কয়েকটি দেশ এ কাজে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও স্নায়ুযুদ্ধ না হলে বিশ্ব হয়তো কখনোই এসব অস্ত্র তৈরি করার কথা চিন্তা করত না। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের হাতে এখনো প্রায় ১০ হাজার পারমাণবিক অস্ত্র সংরক্ষিত আছে। উদ্বেগের বিষয় হলো, কোনো কোনো অস্ত্র এতটাই বৃহৎ আকারের যে, তা হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে নিক্ষেপ করা অস্ত্রের চেয়েও ভয়ংকর! একটি-দুটি অস্ত্রই বিশ্বের জন্য ডেকে আনতে পারে ভয়াবহ মাত্রার বিপর্যয়। পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের ফলে পরমাণুযুদ্ধের অবতারণার মধ্য দিয়ে ধ্বংসলীলা ছড়িয়ে পড়বে বিশ্বময়। পারমাণবিক বোমার আঘাতে বিপুল পরিমাণ তেজস্ক্রিয় কণা ধুলোর সঙ্গে মিশে বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়বে। বিশাল অঞ্চল জুড়ে মারাত্মক বিকিরণ ঘটবে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব হিসেবে বিশ্বব্যাপী শুরু হবে দুর্ভিক্ষ। লাখে লাখে ঝরবে মানুষ, পশুপাখির প্রাণ। কোনোভাবে যদি বিশ্বে পারমাণবিক সংঘাত শুরু হয়, তবে তা ডেকে আনবে বৃহত্তর পারমাণবিক যুদ্ধ। এর ফলে প্রথম দিকে আগুনের তাপে পুড়ে ছাই হবে জানমাল। এরপর শুরু হবে ‘পারমাণবিক শীতলতার দাপট’। এর কারণ, আগেই বলা হয়েছেÍবৃষ্টিপাত বন্ধ হয়ে যাবে, চারপাশ অন্ধাকারে ঢেকে যাবে।
শঙ্কার কোনো কারণ দেখছে না আমেরিকা
মস্কোর আলোচিত এ পদক্ষেপ সত্তে¡ও শঙ্কার কোনো কারণ দেখছে না আমেরিকা। আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি বিøঙ্কেন বলেন, প্রতিবেশী দেশে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের জবাবে আমেরিকা তার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন এডজাস্ট করার কোনো কারণ দেখছে না। কারণ মস্কো এই মুহূর্তে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করবে বলে মনে করে না ওয়াশিংটন। তবে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেজান্দার লুকাশেঙ্কোর সমালোচনা করেছেন আমেরিকার এই শীর্ষ ক‚টনীতিক। তিনি বলেন, নিজ দেশে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের অনুমতি দিয়ে কাজটি ভালো করেননি।

জো বাইডেন
এর আগে গত মার্চে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছিলেন, বেলারুশে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের পরিকল্পনা নিয়ে রাশিয়ার অগ্রসর হওয়ার খবরে তিনি ‘তীব্র নেতিবাচক’ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও রাশিয়ার পরমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছে। ফেডারেশন অভ আমেরিকান সায়েন্টিস্ট-এর তথ্যানুসারে, আমেরিকার ১০০টি বি৬১ কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র ইউরোপের ইতালি, জার্মানি, তুরস্ক, বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডসে মোতায়েন রয়েছে। প্রসঙ্গত, ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা যখন তুঙ্গে, সে সময়েই বেলারুশে এই কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের খবর পাওয়া গেল।
রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বেলরুশের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্দার লুকাশেঙ্কো জানিয়েছেন, রাশিয়া যেসব পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করার ঘোষণা দিয়েছিল, সেগুলো ইতোমধ্যে আসতে শুরু করেছে। সাক্ষাৎকারে লুকাশেঙ্কো আরও জানান, রাশিয়ার কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রগুলো স্বল্পপাল্লার এবং যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহারের উপযোগী। এই বোমাগুলোর ধ্বংসাত্মক ক্ষমতাও ব্যাপক।
পারমাণবিক ওয়ারহেডের দ্বৈরথে এগিয়ে কে?
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন সতর্ক করে বলেছেন, নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশনের (ন্যাটো) সদস্যরা যদি ইউক্রেন যুদ্ধে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ অব্যাহত রাখে তবে ‘গুরুতর’ বিপদের দিকে যাবে।পুতিন বলেছেন, ইউক্রেনে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করছে ন্যাটো। আমরা এখানে কী নিয়ে আলোচনা করছি? ইউক্রেনে ভারী অস্ত্র ঢুকছে। তারা এখনও ইউক্রেনকে যুদ্ধবিমান দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা করছে। পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর কয়েকটি দেশ ইউক্রেনকে ‘এফ-১৬’ যুদ্ধবিমান সরবরাহের পরিকল্পনা করছে। অবশ্য মিত্র ফ্রান্স জানিয়েছে, এই যুদ্ধবিমান চালানোর জন্য ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীকে শুধু প্রশিক্ষণ দেবে তারা। প্রচুর ট্যাংক দিয়ে ইউক্রেনকে সহায়তা করছে ব্রিটেন এবং জার্মানি।
সম্প্রতি ব্রিটেনের চ্যালেঞ্জার-২, জার্মানির লেপার্ড-২ এবং আমেরিকার ব্র্যাডলি সামরিক যান ধ্বংসের দাবি করেছে মস্কো। গত এপ্রিলে ন্যাটোর মহাসচিব জেন্স স্টলটেনবার্গ জানিয়েছিলেন, জোটের অংশীদাররা শিগগিরই দেড় হাজারের বেশি সামরিক যান, ২৩০টি ট্যাংক ইউক্রেনকে দেবে। তারই অংশ হিসেবে এসব সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে পশ্চিমা দেশগুলো। আর্মস কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত রাশিয়ার প্রায় ৬ হাজার ২৫০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডের মোট মজুত ছিল। আমেরিকার কাছে ৫ হাজার ৫০০-এর বেশি রয়েছে। ন্যাটোর অন্য দুই সদস্য ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের কাছে প্রায় ২২০ এবং ২৯০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে।
ইউক্রেনের পাল্টা আক্রমণ : আলোচনায় ভ্যালেরি জালুঝনি
ইউক্রেনের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে দেড় বছর ধরে রাশিয়ার দখলে থাকা কয়েকটি এলাকা ‘মুক্ত’ করতে পুরোদমে অভিযান চালাচ্ছেন দেশটির সেনাবাহিনী। এই অভিযানের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের নেপথ্যে রয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ এক ব্যক্তি। তিনি জেনারেল ভ্যালেরি জালুঝনি। কিছুদিন আগেও ৪৯ বছর বয়সী ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান ভ্যালেরি সম্পর্কে কেউ তেমন জানতেন না। এখন জনপ্রিয়তার বিবেচনায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে টেক্কা দিচ্ছেন তিনি। ইউক্রেনে রাশিয়ার সর্বাত্মক যুদ্ধের মোকাবিলায় ইউক্রেনকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন জেনারেল ভ্যালেরি জালুঝনি। ২০২২ সালের ২৬ ফেব্রæয়ারির মধ্যে স্পষ্ট হয়ে যায়, তিন দিনের মধ্যে রুশ সেনারা ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের নিয়ন্ত্রণ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন। যদিও প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল, তেমন কোনো বাধা ছাড়াই রাশিয়ার সেনারা কিয়েভের দখল নিয়ে নেবেন।

দৈনিক উত্তরদক্ষিণ । ১৮ জুন ২০২৩ । প্রথম পৃষ্ঠা
জেনারেল জালুঝনির পরিচিত ও ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের মতে, ব্যক্তিগতভাবে তাকে এই পদে নিয়োগ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জেলনস্কি। তার এই নিয়োগে অনেকে তো বটেই, জেনারেল জালুঝনি নিজেও বেশ অবাক হয়েছিলেন। কারণ, অনেককে ডিঙিয়ে তাঁকে এই পদে নিয়োগ দিয়েছিলেন জেলেনস্কি।
জেনারেল ভ্যালেরির কয়েকজন সহকর্মীর সঙ্গে কথা বলেছে বিবিসি। তারা বলেছেন, সেনাবাহিনীতে পেশাজীবন শুরুর পর থেকেই ভ্যালেরি তার অধস্তনদের সঙ্গে একটা বিশ্বস্ততার সম্পর্ক তৈরির ব্যাপারে মনোনিবেশ করেন। একই সঙ্গে ঊর্ধ্বতন হিসেবে নির্দেশ দেওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি এমনটাই চাইতেন।
ইউডি/এজেএস

