খাদ্য ঘাটতির চরম ঝুঁকিতে বিশ্ব

খাদ্য ঘাটতির চরম ঝুঁকিতে বিশ্ব

উত্তরদক্ষিণ । রবিবার, ২৩ জুলাই ২০২৩ । আপডেট ১৪:৫০

দাবি না মানলে কৃষ্ণসাগরীয় শস্য চুক্তি নবায়ন করবে না রাশিয়া, অন্যদিকে বিশ্বের দ্বিতীয় চাল উৎপাদনকারী দেশ ইন্ডিয়া চাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে খাদ্য ঘাটতির ঝুঁকি বহুগুণে বেড়েছে বলছেন বিশ্লেষকগণ। এ নিয়ে আসাদ এফ রহমান’র প্রতিবেদন

অস্থির হয়ে উঠবে এশিয়া-আফ্রিকার বাজার

সম্প্রতি ইউক্রেনের সঙ্গে খাদ্যশস্য রপ্তানি চুক্তি থেকে বেরিয়ে এসেছে রাশিয়া। বিকল্প পথ না পেলে কার্যত এর মাধ্যমে ইউক্রেনের গম রপ্তানির পথ বন্ধ হয়ে গেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে খাদ্য সরবরাহে চাপ সৃষ্টি হওয়ায় এরই মধ্যে বিশ্ববাজারে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। আর এমন সময়েই বিশ্বব্যাপী চাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইন্ডিয়া। বিশ্বের সাদা চাল রপ্তানির চারভাগের এক ভাগই হয়ে থাকে ইন্ডিয়া থেকে। তাই এর প্রভাব বিশ্বব্যাপী যে পড়বে তা বলাই বাহুল্য, বলছেন বিশ্লেষকগণ। অন্যদিকে, ইউক্রেন বিশ্বের অন্যতম গম, ভুট্টা ও ভোজ্য তেল রফতানিকারক দেশ। এশিয়া ও আফ্রিকার অনেক দেশই ইউক্রেনের খাদ্যশস্যের ওপর নির্ভরশীল। ইউরোপের অনেক দেশের চাহিদাও মেটে ইউক্রেনের শস্যে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃষ্ণসাগর দিয়ে খাদ্যশস্য রফতানি বন্ধ হওয়ায় এশিয়ার বাজার অস্থির হয়ে উঠতে পারে। কারণ কৃষ্ণসাগর দিয়ে চালান হওয়া ইউক্রেনের খাদ্যশস্যের ৪৬ শতাংশের ভোক্তা চীন। আর ৪০ শতাংশ যায় পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোতে। আফ্রিকায় যায় ১২ শতাংশ খাদ্যশস্য। জাতিসংঘের হিসাব মতে, ইউক্রেনের খাদ্যশস্যের সবচেয়ে বড় আমদানিকারক চীন। দেশটি ৭.৭ মিলিয়ন টন শস্য ইউক্রেন থেকে আমদানি করেছে। এরমধ্যে ভুট্টা ৫.৬ মিলিয়ন টন, সূর্যমুখী বীজ ১.৮ মিলিয়ন টন ও সূর্যমুখী তেল ৩ লাখ ৭০ হাজার টন এবং বার্লি ৩ লাখ ৪০ হাজার টন। এশিয়া ও প্রশান্ত অঞ্চল বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ওকসানা লেসনিয়াক বলেছেন, চীন ৩০ শতাংশ ভুট্টা ইউক্রেন থেকে আমদানি করে থাকে। যা খাবার, ভোজ্য তেল ও পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

কিয়েভের স্কুল অব ইকোনোমিক্সের খাদ্য ও ভূমি গবেষক পাবলো মার্তিশেভ বলেছেন, এই চুক্তি বাতিলের ফলে আফ্রিকার দেশগুলোর চেয়ে চীনসহ এশিয়ার দেশগুলো ভালো অবস্থানে থাকবে। তিনি বলেন, এশিয়ার খাদ্য নিরাপত্তা এই চুক্তি বাতিল হওয়া বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। খাদ্যশস্য ও তেল বীজের দাম বাড়বে। এই কারণে ওই অঞ্চলে খাদ্যস্ফীতি দেখা দিতে পারে। পাবলো মার্তিশেভ বলেছেন, তবে এটা মনে রাখা জরুরি সেখানে (চীন ও এশিয়া) আক্ষরিক অর্থে খাদ্যপণ্যের ঘাটতি দেখা দেবে না। এশিয়ার দেশগুলো (আফ্রিকার তুলনায়) অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী। সুতরাং তারা পর্যাপ্ত খাবারের যোগান পাবে। এ বিষয়ে উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি চীনের সাথে ব্রাজিলের খাদ্যশস্য আমদানি চুক্তির কথাও উল্লেখ করেন। ২০২২ সালে করা চুক্তির আওতায় ব্রাজিল থেকে ভুট্টা আমদানি করতে পারবে চীন। পাবলো মার্তিশেভ মনে করছেন, সামনের মাসগুলোতে চুক্তি বাতিলের ফলস্বরূপ বিশ্বে খাদ্যশস্যের দাম বাড়তে পারে।

রাশিয়ার দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান এরদোয়ানের

শর্ত ও দাবি-দাওয়া মেনে না নেওয়ায় কৃষ্ণসাগর শস্যচুক্তি থেকে সরে গেছে রাশিয়া। ২০২২ সালের জুলাইয়ে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে এ চুক্তি হয়। এরমাধ্যমে কৃষ্ণসাগর দিয়ে কোনো বাধা-বিপত্তি ছাড়া যুদ্ধের মধ্যেও আন্তর্জাতিক বাজারে যাচ্ছিল ইউক্রেনের উৎপাদিত শস্য। রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যকার এ চুক্তিটি রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিল তুরস্ক। তার্কিস প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণেই চুক্তিটি হয়েছিল। তবে পশ্চিমারা রাশিয়ার কয়েকটি দাবি মেনে না নেওয়ায় এটি ভেস্তে গেছে। আর এরমধ্যে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান পশ্চিমাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, চুক্তিটি পুনরায় করতে তারা যেন রাশিয়ার দাবি-দাওয়া গুলো আমলে নেন।

রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান

এ ব্যাপারে এরদোয়ান বলেছেন, কৃষ্ণসাগর শস্যচুক্তি বাতিল বেশ কয়েকটি প্রভাব ফেলবে দাম বৃদ্ধি থেকে শুরু করে নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে অভাব দেখা দেবেÍ এতে শরণার্থীদের নতুন স্রোত দেখা যাবে। গত ১৭ জুলাই রাশিয়া চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার পর ইউক্রেনের বন্দরে আর কোনো জাহাজ আসেনি বা যায়নি। এরদোয়ান জানিয়েছেন তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে শস্যচুক্তি নিয়ে দ্রুত কথা বলবেন এবং তার আশা এতে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যাবে। এরদোয়ান বলেছেন, আমি বিশ্বাস করি প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে কথা বলে আমরা এই মানবিক কর্মকান্ড অব্যাহত রাখতে পারব। তিনি আরও বলেছেন, ‘আমরা জানি প্রেসিডেন্ট পুতিনের পশ্চিমাদের কাছে নির্দিষ্ট কিছু চাওয়া আছে। আর এ নিয়ে এসব দেশের ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন জানিয়েছেন, তাদের দাবি মেনে নিলে এবং সেগুলো কার্যকর করলেই তারা শস্যচুক্তিতে ফিরে আসবেন

শস্য রফতানি চুক্তি বাতিলের প্রভাব পড়বে না বাংলাদেশে

কৃষ্ণসাগরীয় শস্যচুক্তি থেকে রাশিয়ার বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণায় ইতোমধ্যে বিশ্বজুড়ে দাম বেড়েছে গমের। প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বিভিন্ন দেশে। তবে শস্য রফতানি চুক্তি বাতিলের প্রভাব বাংলাদেশে পড়বে না বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। শনিবার (২২ জুলাই) রাজধানীর নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

দুই দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সেমিনারে দেশ-বিদেশের আন্তর্জাতিক নদী বিষয়ক গবেষক, বিশেষজ্ঞ, বিজ্ঞানী, পরিবেশবিদ ও শিক্ষাবিদরা অংশ নিয়েছেন। ইউক্রেন থেকে নিরাপদে শস্য রফতানি চালু রাখতে গত বছরের জুলাইয়ে এগিয়ে আসে জাতিসংঘ ও তুরস্ক। তাদের মধ্যস্থতায় রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শস্যচুক্তি হয়। তিন দফা বাড়ানোর পর ১৭ জুলাই শেষ হয় চুক্তির মেয়াদ। রাশিয়া এই দফায় আর মেয়াদ বাড়াতে রাজি হয়নি। বাংলাদেশ ইউক্রেনের গমের অন্যতম ক্রেতা হওয়ায় শস্যচুক্তি বাতিলের প্রভাব দেশে পড়বে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে

এম এ মান্নান

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, কৃষ্ণসাগর শস্য রফতানি চুক্তি বাতিল হওয়ার বিষয়ে সরকার অবগত। এতে দেশে খাদ্যের কোনো সংকট হবে না। কারণ, দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। বিকল্প উৎস হিসেবে অন্যান্য দেশ থেকে খাদ্য আমদানি করার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এক্ষেত্রে খাদ্য ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করতে অভ্যন্তরীণ খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই বলেও অনুষ্ঠানে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।

ইন্ডিয়ার নিষেধাজ্ঞা: প্রভাব পড়ছে বিশ্বজুড়ে

ইন্ডিয়ায় চলতি বছর ভারী বৃষ্টিপাতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া গত ১২ মাসে দেশটিতে চালের দাম ১১ শতাংশ বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অভ্যন্তরীণ বাজারে চালের মূল্যবৃদ্ধি এড়াতে বাসমতী নয় এমন চালের ক্ষেত্রে রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে ইন্ডিয়া। এর আগে চলতি সপ্তাহেই ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, চাল রপ্তানির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে ইন্ডিয়ান সরকার। দেশটির ভোক্তাবিষয়ক মন্ত্রণালয় রপ্তানি বন্ধের ঘোষণার সময় আরও জানায়, পুরো বিশ্বে বাসমতী নয় এমন সাদা চালের রপ্তানির এক-চতুর্থাংশই ইন্ডিয়া থেকে হয়। হারগ্রেভস ল্যানসডাউনের বিনিয়োগ বিশ্লেষণ ও গবেষণার প্রধান এমা ওয়ালের মতে, ইন্ডিয়ার নেওয়া এ সিদ্ধান্ত নিশ্চিতভাবেই বিশ্বব্যাপী খাদ্যের দামের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সবচেয়ে শঙ্কার বিষয়টি হলো ইন্ডিয়ার এ সিদ্ধান্ত গরিব দেশগুলোয় বেশি প্রভাব ফেলতে যাচ্ছে। কারণ বিশ্বের সবচেয়ে বড় চাল রপ্তানিকারক দেশটির বাসমতী নয় এমন চালের ক্রেতা মূলত এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলো।

এর আগে গত বছর ইন্ডিয়ান সরকার খাদ্যপণ্য রপ্তানি নিরুৎসাহ করার জন্য ২০ শতাংশ রপ্তানি কর আরোপ করেছিল; যা শুধু চালই নয়, চিনি ও গমের চালানের রপ্তানিও সীমিত করেছিল। যদিও রপ্তানি ইন্ডিয়ান কৃষকের জন্য অভ্যন্তরীণভাবে বিক্রির চেয়ে বেশি লাভজনক। তবে দেশটির সরকার বলেছে, কৃষক বাসমতীসহ অন্য যেসব দামি চাল রয়েছে তা আন্তর্জাতিক বাজারে লাভজনক দামের সুবিধা পেতে রপ্তানির সুযোগ পাবেন। বৈদেশিক বাণিজ্য দপ্তরও বলছে, রাজ্যের খাদ্য নিরাপত্তার প্রয়োজনের ভিত্তিতে অন্যান্য দেশে রপ্তানির অনুমতি দেওয়ার অনুরোধগুলোও বিবেচনা করা হবে।

প্রতিবেশীদের চাল রপ্তানি বন্ধ: বাংলাদেশ কি ক্ষতিগ্রস্ত হবে?

বিশ্বের প্রায় ৩০০ কোটি মানুষের প্রধান খাদ্য চাল। আর বিশ্বব্যাপী খাদ্যপণ্যটি মোট রপ্তানির ৪০ শতাংশই করে ইন্ডিয়া।গোটা বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহৎ উৎপাদকও ইন্ডিয়া। প্রথম স্থানে রয়েছে চীন। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইতোমধ্যে বিশ্বজুড়ে চালের দাম বেড়েছে। ইন্ডিয়া রপ্তানি নিষিদ্ধ করায় ভোগ্যপণ্যটির দর আরও বৃদ্ধি পাবে। গত ১০ বছরের মধ্যে তা সর্বোচ্চে উঠবে। ট্রেড ক্রেডিট ইন্সুরের কোফেসের আসিয়ান ইকোনমিস্ট ইভে বারে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে ভাঙা চাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয় ইন্ডিয়া। ভাত প্রধান (মূখ্য খাবার) বিশ্বের প্রায় অর্ধেকের বেশি দেশে খাদ্যপণ্যটি সরবরাহ করে তারা। এবার দেশটি সবধরনের চাল রপ্তানি নিষিদ্ধ করায় আন্তর্জাতিক বাজারে জোগান ব্যাপক কমবে। তিনি বলেন, এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশ ও নেপাল। কারণ, ইন্ডিয়া থেকেই নিজেদের চাহিদার সর্বোচ্চ চাল আমদানি করে প্রতিবেশী এ দুই দেশ।

দৈনিক উত্তরদক্ষিণ । ২৩ জুলাই ২০২৩ । প্রথম পৃষ্ঠা

নিজেদের প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে কৃষি বিশ্লেষণী সংস্থা গ্রো ইন্টেলিজেন্স ভবিষ্যদ্বাণী করে, ইন্ডিয়া নিষেধাজ্ঞা দিলে চালের ওপর অত্যধিক নির্ভরশীল দেশগুলোর খাদ্য নিরাপত্তাহীনতাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। ক্রেতাদের উদ্দেশে লেখা এক নোটে সংস্থাটির বিশ্লেষকরা জানান, ইন্ডিয়া থেকে অধিক হারে চাল আমদানি করে বাংলাদেশ, চীন, বেনিন ও নেপাল। আফ্রিকা মহাদেশেরও অনেক দেশ সেখান থেকে খাদ্যশস্যটি কেনে।

ইতোমধ্যে বিশ্ববাজারে সরবরাহ সংকট দেখা দেয়ার উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এর জেরে ইতোমধ্যে অনেক দেশে চালের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। ভিয়েতনামে রপ্তানি মূল্য বিগত ১০ বছরের মধ্যে সর্বাধিক উচ্চতায় পৌঁছেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে বিজনেস রেকর্ডারের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এতে বলা হয়, এ সপ্তাহে প্রতি মেট্রিক টন ভিয়েতনামের ৫ শতাংশ ভাঙা চালের দর স্থির হয়েছে ৫১৫ থেকে ৫২৫ ডলারে। ২০১১ সালের পর যা সবচেয়ে বেশি। গত সপ্তাহে যা ছিল ৫১০ থেকে ৫১৩ ডলার। থাইল্যান্ডের ৫ শতাংশ ভাঙা চালের মূল্য বেড়েছে। চলমান সপ্তাহে প্রতি মেট্রেক টনের দাম দাঁড়িয়েছে ৫৪৫ ডলারে। ২০২১ সালের ফেব্রয়ারির পর যা সবচেয়ে বেশি। গত সপ্তাহে যা ছিল ৫১৫ ডলার। এ প্রেক্ষাপটে দেশটিতে চালের চাহিদায় উলম্ফন ঘটেছে। তবে দর বৃদ্ধি পাওয়ায় রপ্তানি কমেছে।

ইউডি/এজেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading