আড়াই কোটি তরুণ ভোটার ‘নিয়ামক’ হয়ে উঠতে পারে
উত্তরদক্ষিণ । মঙ্গলবার, ০২ জানুয়ারি, ২০২৪, আপডেট ২১:০৫
দরজায় কড়া নাড়ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ৭ জানুয়ারির এ নির্বাচনে প্রথম ভোট দেবেন প্রায় দেড় কোটি নবীন ভোটার। এর বাইরে আরো এক কোটি তরুণ ভোটার রয়েছেন। এই নির্বাচনে তাদের ওপর জয়-পরাজয় অনেকটা নির্ভর করছে বলে মনে করেন রাজনীতি বিশ্লেষকরা।
বিএনপিসহ কয়েকটি দলের বর্জনের নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক করতে এই নবীনদের আলাদা গুরুত্ব দিচ্ছে ক্ষমতাসীনরা। তফসিল ঘোষণার পরপরই আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, আমাদের প্রধান টার্গেট প্রথম ভোটার হওয়া তরুণ শ্রেণি। দলটির ইশতেহারেও কর্মোপযোগী শিক্ষা ও যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। নির্বাচন বিশ্লেষকরাও মনে করছেন, ভোটার উপস্থিতির প্রশ্নে নবীন ও তরুণ ভোটাররা বড় প্রভাবই ফেলবেন।
নির্বাচন বিশ্লেষক ও পর্যবেক্ষক ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ বলেন, নতুন ভোটাররা যদি ভোট দেয়, তাহলে ফ্যাক্টর হবে; আর যদি ভোট না দেয়, তাহলেও এটি একটি ফ্যাক্টর। গেলবার ভোট কেন্দ্রে যাওয়া নিয়ে ভয়ভীতি ও ইভিএমের গোলযোগে অনেকেই ভোট দিতে পারেননি বলে জানিয়েছেন তখনকার নতুন ভোটাররা। এবার ভোট হচ্ছে ব্যালটে, সে কারণে যান্ত্রিক গোলযোগের প্রশ্ন নেই। আবার, বড় দল বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক দেখাতে চাইছেন ক্ষমতাসীনরা। সেই কারণে বেশির ভাগ আসনে নৌকার পাশাপাশি আওয়ামী লীগেরই স্বতন্ত্র প্রার্থী লড়ছেন, যারা সবাই নিজেদের দিকে ভোট চাইছেন। শেষ পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু থাকলে ভোট দেওয়ার কথা বলছেন নবীন ভোটাররা। তাছাড়া গতবার যারা প্রথমবার ভোটার ছিলেন, সেই তরুণরাও এবার ভোটে উৎসাহ পাওয়ার কথা জানিয়েছেন।
দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে কিছু এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনায় উদ্বেগ বেড়েছে। সেই সঙ্গে ভোট বর্জনকারী বিএনপি ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে নিষেধ করছে। এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী ঢাকায় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে ভোটারদের কেন্দ্রে আনার সহযোগিতা চেয়েছে। নির্বাচন কমিশন বলছে, ভোটের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। ভোটারদের কেন্দ্রে আনার দায়িত্ব প্রার্থীদের।
ইউডি/এসআর

