স্বাধীন প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র ইস্যু: নেতানিয়াহু’র বার্তার পর আমেরিকা যা বলল
উত্তরদক্ষিণ । শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৪, আপডেট ১৬:৩৫
স্বাধীন প্যালেস্টাইন রাষ্ট্রের বিরোধিতা করে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা প্রত্যাখ্যান করেছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের ৩ জন শীর্ষ কর্মকর্তা এ ইস্যুতে আমেরিকার অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের মুখপাত্র এবং বাইডেনের অন্যতম উপদেষ্টা জন কিরবি শুক্রবার (১৯ জানয়িারি) ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রসঙ্গে বলেন, আমরা অবশ্যই এ ইস্যুতে ভিন্নমত পোষন করি।
বাইডেন প্রশাসনের অপর এক জেষ্ঠ্য কর্মকর্তা মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে এ প্রসঙ্গে বলেন, যদি নেতানিয়াহু এই বক্তব্যকে চূড়ান্ত বলে ধরে নেয়, তাহলে একদিকে গাজায় মানবিক সহায়তার প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাবে, অন্যদিকে সেখানে আটক জিম্মিদের মুক্তিও আটকে যাবে— যা কখনও কাম্য নয়। এছাড়া আরও অনেক বিষয় এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। সেসব ইস্যুকে অগ্রাধিকার দিয়ে আমরা আমাদের কাজ চালিয়ে যাব। দ্বিরাষ্ট্র সমাধান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের তৎপরতা থামবে না।
আমেরিকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার শুক্রবার এক ব্রিফিংয়ে এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, গাজা উপত্যকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি দীর্ঘমেয়াদী চ্যালেঞ্জ, আর উপত্যকাকে পুনর্গঠন করা স্বল্পমেয়াদী চ্যালেঞ্জ। স্বাধীন প্যঅলেস্টাইন রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা ছাড়া এই দুই চ্যালেঞ্জের কোনোটিই মোকাবিলা করা সম্ভব নয়।
প্রসঙ্গত, গত ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর আমেরিকা প্রথমে মিত্র ইসরায়েলের পাশেই দাঁড়িয়েছিল এবং গত সাড়ে ৩ মাসে হোয়াইট হাউজ বার বার ইসরায়েলের সামরিক নীতিকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে আসছে। বিশেষ করে নির্বিচারে বিমান হামলার পরিবর্তে আরও নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার, স্থল আক্রমণ নিরুৎসাহিত করার পাশাপাশি গাজা সংঘাত শেষে ‘দ্বি-রাষ্ট্র’ সমাধানের দিকে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আমেরিকা। কিন্তু ওয়াশিংটনের পরামর্শ হয় সঠিক জায়গায় পৌঁছায়নি কিংবা সরাসরি প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। এমনকি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেনের মধ্যপ্রাচ্য সফরের সময়ও একই চিত্র দেখা গেছে।
ইউডি/এজেএস

