ফেব্রুয়ারিতে কোটি টাকার ফুল বিক্রির লক্ষ্য সাতক্ষীরার ব্যবসায়ীদের
উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, আপডেট ১৬:১৫
চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে পহেলা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবসকে সামনে রেখে জমে উঠেছে সাতক্ষীরার ফুলের ব্যবসা। বছরের অন্য সময়ের তুলনায় ফেব্রুয়ারি মাসে বসন্তবরণ, ভালোবাসা দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে কেন্দ্র করে জমজমাট হয়ে ওঠে শহরের মিনি মার্কেট ও লাবনী মোড়ের এই ফুলের বাজার।
তবে ফুলের জোগান থাকলেও দাম বেশি বলে অভিযোগ করছেন ক্রেতারা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সারাবছরই বেচাকেনা ভালো হয় তবে ফেব্রুয়ারিতে এই তিন দিনের জন্য বেশি কেনাবেচা হয় এই মাসে। আর এই তিন দিবস যত এগিয়ে আসবে ফুলের দামও ততই বাড়বে। আশা করেছেন সারা বছর ধরে তারা যে ক্ষতির শিকার হন, বছরের এই সময়ে ফুল বিক্রি করে কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারবেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে গোলাপের পাশাপাশি গাঁদা, রজনিগন্ধা, জারবেরা, জিপসি, চেরি, গ্লাডিওলাস। বর্তমানে প্রতিটি গোলাপ বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা, যা মাসখানেক আগেও বিক্রি হয়েছে মাত্র ১ থেকে ৩ টাকায়।
রজনীগন্ধা বিক্রি হচ্ছে প্রকারভেদে ১৬ থেকে ১৮ টাকায়। এছাড়া গাঁদা ফুল বিক্রি হচ্ছে প্রতি হাজার ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত। যা আগে ছিল ২০০ থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত।
একজন ক্রেতা বলেন, বিশেষ দিনে ভালোবাসার মানুষকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে চান সবাই। তবে এখন দাম অনেক বেশি নেওয়া হচ্ছে, যে গোলাপ মাসখানেক আগে বিক্রি হয়েছে মাত্র ১ টাকায়, বর্তমানে সেই গোলাপ বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা দরে।
সাতক্ষীরা জেলা ফুল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জালাল উদ্দীন মিলন বলেন, কাঁচামাল হওয়ার কারণে সারা বছর ধরে আমরা ফুল ব্যবসায়ীরা ক্ষতির শিকার হই, বছরের এই সময়ে ফুল বিক্রি করে কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারব। এই তিন দিবস যত এগিয়ে আসবে ফুলের দামও ততই বাড়বে।
ধারণা করা হচ্ছে এবার তিন দিবসে সাতক্ষীরায় অন্তত ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকার ফুল বিক্রি হতে পারে। সব মিলিয়ে এই মাসেই প্রায় কোটি টাকার ফুল বিক্রি হতে পারে সাতক্ষীরাতে।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মনির হোসেন বলেন, সাতক্ষীরাতে বাণিজ্যিকভাবে ফুলের চাষ না করার কারণে বিভিন্ন জেলা থেকে ফুল নিয়ে এসে চাহিদা পূরণ করা হয়।
ফুলের দাম নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য বাজারগুলোতে প্রশাসনের নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
ইউডি/এআর

