নারী বিসিএস কর্মকর্তাকে ধর্ষণের মামলায় এএসপি সোহেলের বিচার শুরু
উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, আপডেট ১৭:১৫
সরকারি এক নারী কর্মকর্তাকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় বরখাস্ত হওয়া সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) সোহেল উদ্দীন প্রিন্সের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
এর ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলাটির বিচার শুরু হলো। গত বুধবার ঢাকার ৬ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আল মামুন আসামির অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে দিয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। সোহেল উদ্দীন প্রিন্স ৩৬তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন।
এ মামলার পর সোহেল উদ্দিন প্রিন্স বরখাস্ত হন। বাদীপক্ষের আইনজীবী আনোয়ারুল কবির বাবুল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ভুক্তভোগী ওই নারী একজন সরকারি কর্মকর্তা। পরিচয়ের সুবাদে এএসপি সোহেল উদ্দীনের সঙ্গে তার বিয়ের কথা হয়।
২০২১ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি সোহেল উদ্দীন বাদীকে রমনা পুলিশ অফিসার্স মেসে আসতে বলে। সেখানে তার আত্মীয়-স্বজন উপস্থিত থেকে কাজীর মাধ্যমে বিবাহ সম্পন্ন হবে বলে জানায় ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
বাদী ওইদিন সন্ধ্যা ৭টায় তার আত্মীয়-স্বজনসহ রমনা পুলিশ অফিসার্স মেসে উপস্থিত হয়ে সোহেল উদ্দীন ছাড়া আর কাউকে পাননি। এ সময় জানতে চাইলে আসামি জানায়, কিছুক্ষণের মধ্যে সবাই এসে যাবে।
বাদী সরল বিশ্বাসে আসামির সঙ্গে কথা বলতে থাকে। কথাবার্তার এক পর্যায়ে সোহেল বাদীকে খুন করার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে।
ওই ঘটনায় ২০২২ সালের ২৩ নভেম্বর সোহেল উদ্দীন প্রিন্সের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন ভুক্তভোগী। এরপর আদালত মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন। ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় সোহেল উদ্দীন প্রিন্সের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করেন।
২০২৩ সালের ২৫ জুলাই ঢাকার ৬ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আল মামুন মামলার বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
একই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকার ৭ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ছাবেরা সুলতানা খানমের আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেন।
ইউডি/এআর

