দেশীয় গ্যাস ফিল্ডে উৎপাদন কমছে: নসরুল হামিদ

দেশীয় গ্যাস ফিল্ডে উৎপাদন কমছে: নসরুল হামিদ

উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, আপডেট ১৮:৩০

রিজার্ভ কমে আসায় দেশীয় গ্যাস ফিল্ডের উৎপাদন কমতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, ২-৩ বছর কমার পর গ্যাস আবার বাড়বে।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) পেট্রোবাংলা আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। সেমিনারে গ্যাসের চাহিদা-সরবরাহ, সিসমিক সার্ভে এবং কূপ খনন জোরদার করার বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হয়।

এতে পেট্রোবাংলা ও কোম্পানিসমূহের বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তা, বুয়েট, ঢাবি শিক্ষক ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের আমন্ত্রণ জানানো হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৪৮টি কূপ খনন প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী দুই বছরে ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাব। কিন্তু দুই বছরে চাহিদা কত হবে ২০০০ হাজার এমএমসিএফডি বাড়বে। কীভাবে এ ঘাটতি সামাল দেব, তার পরিকল্পনা থাকতে হবে।

নসরুল হামিদ বলেন, যিনি কাজ পারবেন না, তাকে বাদ দেওয়া হবে। বক্স থেকে বের হয়ে আসতে হবে। কেউ কাউকে জায়গা ছাড়তে চায় না। বাপেক্স ১০০ বছর ধরে কাজ করবে।

তার জন্য ফেলে রাখতে হবে। বাপেক্সের একটি প্রতিযোগী থাকা উচিত। একটি ঘটনার রেফারেন্স টেনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা বাইরে আছেন, তাদের সবাইকে সঙ্গে রাখতে হবে।

৮০ সালে ২ডি করা হয়েছে। ৩৯ বছর পরে ৩ডি, তাহলে এতদিন কেন বসে থাকলেন! জ্বালানিতে যারা ছিলেন, তারা টেকনিক্যাল পার্সন। তারা বলতেন, সম্ভাবনা নেই। আর সমালোচনা নয়।

আসুন, একসঙ্গে দেশের জন্য কাজ করি। নসরুল হামিদ বলেন, আমি চাই, গঠনমূলক আলোচনা হোক। আমাদের গ্যাস লাগবে। সমালোচনা রয়েছে, বিতরণ কোম্পানি টাকা নেয়, গ্যাস দেয় না।

বিতরণ কোম্পানিগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। চুক্তি থাকবে, গ্যাস না-দিলে টাকা দিতে হবে। স্মার্ট বাংলাদেশ কী শুধু টেকনোলজি! টেকনোলজির সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন, কোয়ালিটি জ্বালানিও স্মার্ট বাংলাদেশের অংশ।

অনুষ্ঠানে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সচিব নুরুল আলম বলেন, দুটি এফএসআরইউ দিয়ে এলএনজি আমদানি করতে গিয়ে অনেক অনেক ঘাটতি হচ্ছে।

ভবিষ্যতে আমদানি আরও বেড়ে গেলে গ্যাসের মূল্য কোথায় গিয়ে ঠেকবে! আমাদের কোনদিকে যাওয়া উচিত, মতামত ও পরামর্শ দেবেন।

সর্বোত্তমভাবে, যে কাজটি করা প্রয়োজন, আমরা করার চেষ্টা করব। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান জনেন্দ্র নাথ সরকার বলেন, সব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের চালিকাশক্তি হচ্ছে- গ্যাস।

আমাদের চাহিদা ও সরবরাহে ঘাটতির কারণে সমালোচনা হচ্ছে। সে কারণে আজকে সবাইকে ডাকা হয়েছে, কী করে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো যায়। জনেন্দ্র নাথ সরকার বলেন, চলমান ৪৮টি কূপ খননের পাশাপাশি আরও ১০০টি কূপ খনন করব ২০২৮ সালের মধ্যে। সে বিষয়ে আপনাদের মূল্যবান মতামত জরুরি।

আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দরপত্র আহ্বান করতে প্রস্তুত হয়েছি।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ারুল ইসলাম ও পেট্রোবাংলার জেনারেল ম্যানেজার (রিজার্ভ এবং ডাটা ম্যানেজমেন্ট) মেহেরুল হাসান।

ইউডি/এআর

melongazi

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading