শ্রদ্ধা নিবেদনে প্রস্তুত শহীদ মিনার, থাকবে ৪ স্তরের নিরাপত্তা

শ্রদ্ধা নিবেদনে প্রস্তুত শহীদ মিনার, থাকবে ৪ স্তরের নিরাপত্তা

উত্তরদক্ষিণ । মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, আপডেট ১৩:০০

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য প্রস্তুত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। এরই মধ্যে এটি ধুয়েমুছে পরিষ্কার করা হয়েছে। রং করা হয়েছে মূল বেদিসহ সংলগ্ন এলাকা। মিনার প্রাঙ্গণের সামনের দেয়ালে শোভা পাচ্ছে ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা গান, কবিতা ও স্লোগান। তবে অন্যান্য বারেরমতো পার্শ্ব বা সামনের রাস্তাগুলোতে করা হয়নি আলপনা। আজ মঙ্গলবার( ২০ ফেব্রুয়ারী ) সন্ধ্যার দিকে আলপনা আঁকার কাজ শুরু হবে বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে দিবসটিকে ঘিরে শহীদ মিনারে থাকবে চার স্তরের নিরাপত্তার ব্যবস্থা। সবাইকে সুশৃঙ্খলভাবে নিয়মকানুন মেনে যথাযথভাবে শ্রদ্ধা নিবেদনের আহ্বান জানিয়েছেন র‍্যাবের মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে এ দিবস উদযাপনের ক্ষেত্রে সর্বসাধারণের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, শহীদ মিনারের চারপাশে ব্যারিকেড দেওয়ার কাজ শেষ। মিনার প্রাঙ্গণে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। চারদিকে শতাধিক পুলিশ, র‍্যাব, আনসার ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা পাহারা দিচ্ছেন। শুধু নিরাপত্তা পাস থাকলেই কেবল ভেতরে প্রবেশ করতে পারছেন। তাছাড়া শহীদ মিনার এলাকার চারপাশে ৩৬০ ডিগ্রি কোণে সিসিটিভি ক্যামেরাও বসানোর কাজও শেষ হয়েছে। শহীদ মিনার, দেয়াল ও মেঝেতে রং করাও শেষ। দেয়াল লিখনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে শহীদ মিনারের উত্তর দিকের দেওয়াল। চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যেই শেষ করেছেন দেয়াল লিখন।

চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেন বলেন, আমরা প্রতি বছরের মতো এবারও শহীদ মিনারে আলপনার কাজ করছি। মিনারের সামনের রাস্তায় আলপনা আঁকার মাধ্যমে কাজ শেষ করব। আর এতে আমাদের প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেবেন।

এদিকে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে গতকাল বুধবার দুপুরে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন করেন উপাচার্য মাকসুদ কামাল। সেখানে তিনি বলেন, রাত ১২টা ১ মিনিটে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদিতে প্রথম পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রীবর্গ, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও বিরোধীদলীয় নেতা। এর পর পর্যায়ক্রমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন তিন বাহিনীর প্রধানরা, ভাষাসৈনিকরা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্যবৃন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, অনুষদের ডিনবৃন্দ ও হলের প্রাধ্যক্ষবৃন্দ। এর পর সর্বস্তরের জনসাধারণের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের জন্য শহিদ মিনার উন্মুক্ত থাকবে।

ইউডি/এআর

melongazi

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading