আগামী জাতীয় বাজেটে গুরুত্ব পাচ্ছে কী, জানালেন অর্থমন্ত্রী
উত্তরদক্ষিণ । রবিবার, ১০ মার্চ, ২০২৪, আপডেট ১৭:৪৫
আগামী জাতীয় বাজেট বেসরকারি খাতের জন্য একটি উৎসাহব্যাঞ্জক বাজেট হবে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেছেন, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের মতামত ও প্রত্যাশাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। সরকরি খাতের উন্নয়ন ও প্রসারে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে গেলেও বেশকিছু কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়ন প্রয়োজন। আমরা বাজেটে সে বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করছি।
রবিবার (১০ মার্চ) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘প্রাক-বাজেট আলোচনা : বেসরকারি খাতের প্রত্যাশা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই), দৈনিক সমকাল ও চ্যানেল টোয়েন্টিফোর যৌথভাবে সভাটির আয়োজন করে। বেসরকারি খাতের উন্নয়নের মাধ্যমেই দেশের অর্থনীতির উন্নয়ন সম্ভব মন্তব্যে করে আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, আমাদের সরকার বেসরকারি খাতকে অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করে। বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি এবং উন্নয়নের জন্য সরকার বরাবরই সহায়ক ভূমিকা পালন করে আসছে। আমাদের সরকার বেসরকারি খাতের উন্নয়ন নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে আয়কর, মূসক ও শুল্ক সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন ও সংস্কারের মাধ্যমে কর কাঠামোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, অটোমেশন, কর প্রদান প্রক্রিয়া সহজীকরণ, ঋণের সুদহার যৌক্তিক করা, অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং ব্যবসায়ীদের জন্য নানা ধরনের প্রণোদনার ব্যবস্থা করা। আমাদের এই পদক্ষেপগুলো আরও কীভাবে সুচারুভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তা নিয়ে আমরা কাজ করছি।
আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, বেসরকারি খাতের উন্নয়ন ও প্রসারে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে গেলেও কিছু কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়ন প্রয়োজন। আমরা বাজেটে সে বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করছি। এ লক্ষ্যে আমরা বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছি। এরই মধ্যে রাজস্ব আহরণ বাড়াতে ৫০ লাখ টাকার পরিবর্তে ১০ লাখ বা তার বেশি মূসক পরিশোধে ই-পেমেন্ট, ই-চালান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাইকারি পণ্য ও সেবা পর্যায়ে ইএফডিএমএসের মাধ্যমে মূসক জাল স¤প্রসারণের লক্ষ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রামে প্রাথমিক পর্যায়ে সাত হাজার এবং ক্রমান্বয়ে তিন লাখ ইএফডিএমএস মেশিন স্থাপনের লক্ষ্যে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে। বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নয়ন, কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন, সহজ ও দ্রততম সময়ে সেবা প্রদান, কার্যকর অবকাঠামোগত ও মানবসম্পদ উন্নয়নের কার্যক্রম নেওয়া হচ্ছে।
ইউডি/এজেএস

