গণতন্ত্র, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সম্মুখভাগে নেতৃত্ব দিয়েছেন ডা. জাফরুল্লাহ: মান্না
উত্তরদক্ষিণ । মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৪, আপডেট ১৯:৪০
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সম্মুখভাগে নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর শিশুকল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ লেবার পার্টি উদ্যোগে ‘গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর স্মরণ সভায়’ তিনি এ মন্তব্য করেন।
মান্না বলেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ছিলেন একই সঙ্গে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, বাংলাদেশি চিকিৎসক, দানবীর, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, সমাজসেবক ও রাজনৈতিক স্পষ্টভাষী ও সময়ের সাহসী সন্তান এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার কণ্ঠ। তার মৃত্যুতে দেশ ও জাতি একজন দেশপ্রেমিককে হারিয়েছে। গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণ, সবার জন্য চিকিৎসা অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত লড়াই করে গেছেন। তিনি সরকারের জুলুম নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন।
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী দিনে গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাইফুল হক বলেন, ডা. জাফরউল্লাহ চৌধুরী ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে লন্ডনের রয়েল কলেজ ও সার্জনসে এফআরসি ডিগ্রিতে পড়াকালীন চূড়ান্ত পর্ব শেষ না করেই দেশে ফিরে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। নিজে একজন চিকিৎসক হওয়ায় তিনি সহযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে রণাঙ্গনে ফিল্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে মুক্তিযুদ্ধে আহতদের চিকিৎসা সেবায় বিশেষ ভ‚মিকা পালন করেন। তিনি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র, গণস্বাস্থ্য হাসপাতাল, গণবিশ্ববিদ্যালয়, গণফার্মাসিউক্যাল প্রতিষ্ঠা করে গণমানুষের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছেন।
সুপ্রিম কোটের সিনিয়র আইনজীবী মহসিন রশীদ বলেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আমরণ প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। দেশে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার না থাকায় জনগণ মুক্তিযুদ্ধের সুফল পাচ্ছে না। স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও দেশে গণতন্ত্র-ভোটাধিকার নির্বাসনে। এরশাদ সরকারের আমলে ওষুধ নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কৃতিত্ব ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর। বাংলাদেশ থেকে বিদেশে ওষুধ রপ্তানির শুভযাত্রা শুরু হয় এই ওষুধ নীতির কারণে।
ইউডি/এজেএস

