কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন বৃদ্ধি
উত্তরদক্ষিণ । শুক্রবার, ৩১ মে, ২০২৪, আপডেট ১৫:২৫
ঘূর্ণিঝড় রেমাল-পরবর্তী ভারী বর্ষণে দেশের বৃহত্তম রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে পানির পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। যার ফলে পানির ওপর নির্ভরশীল দেশের একমাত্র পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র কাপ্তাই কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রের (কপাবিকে) বিদ্যুৎ উৎপাদনও বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে পানির অভাবে মাত্র একটি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হলেও বর্তমানে দুটি ইউনিট একসঙ্গে চালু রেখে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।
কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, বিগত কয়েক মাস কাপ্তাই হ্রদে পানির স্তর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসায় এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট থেকে শুধু একটি ইউনিট চালু রেখে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছিল। দৈনিক মাত্র ২৫-৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হতো।
সর্বশেষ শুক্রবার (৩১ মে) প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বুধবার থেকে এখন পর্যন্ত এ কেন্দ্রে দুটি ইউনিট চালু আছে। তার মধ্যে ১ নম্বর ইউনিট থেকে ৩০ ও ২ নম্বর ইউনিট থেকে ২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।
কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক এটিএম আবদুজ্জাহের প্রতিদিনের বাংলাদেশকে জানান, কাপ্তাই হ্রদে পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন আরও বাড়বে। তবে কাপ্তাই হ্রদে পানি বাড়ার জন্য আরও ভারী বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন বলেও তিনি জানান।
এদিকে কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, রুলকার্ভ অনুযায়ী কাপ্তাই হ্রদে বর্তমানে পানি থাকার কথা ৭৬ দশমিক ৪০ এমএসএল (মিনস সি লেভেল), তবে বর্তমানে পানি আছে ৭৮ দশমিক ৫৫ এমএসএল (গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত)। অর্থাৎ বর্তমানে প্রায় ১ দশমিক ৭৫ এমএসএল পানি বেশি রয়েছে। যদিও কাপ্তাই লেকে পানিধারণ ক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল।
দেশে সবচেয়ে কম খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হয় একমাত্র কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রে। যেখানে পাঁচটি ইউনিট থেকে সর্বোচ্চ ২৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।
ইউডি/এআর

