মোদির বিরুদ্ধে শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারির অভিযোগ আনলেন রাহুল
উত্তরদক্ষিণ । শুক্রবার, ০৭ জুন, ২০২৪, আপডেট ১৯:৪৫
ইন্ডিয়াতে শেয়ার মার্কেট ধসের কারণ বের করতে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। লোকসভা নির্বাচন শেষ হতেই রাহুলের পক্ষ থেকে এমন আবেদন উঠল। খবর বিবিসি
বিরোধি দলের এই নেতা ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারির অভিযোগ এনেছেন। তার দাবি ৪ জুন নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার দিন বিজেপির নেতারা শেয়ারের দাম নিয়ে বিভ্রান্তকর তথ্য ছড়িয়েছে।
রাহুল গান্ধী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শেয়ার ব্যবসায়ীদের শেয়ার ক্রয়ে উদ্বুদ্ধ করেন। কিন্তু নির্বাচনের ঘোষণার পরই শেয়ার মার্কেটে ধস নামে।
তবে মোদির দল বিজেপি রাহুল গান্ধীর এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
যৌথ সংসদীয় কমিটিকে এ ঘটনায় তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন রাহুল। শেয়ার বাজার ধসের সঙ্গে মোদি ও তার সিনিয়র মন্ত্রীরা জড়িত বলে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেসের এই নেতা।
রাহুল বলেন, নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলের আগেই- নরেন্দ্র মোদি, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, সাবেক অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন শেয়ার ব্যবসায়ীদের ৪ জুন শেয়ার ক্রয়ের আহ্বান জানান। কারণ তারা প্রত্যাশা করছিলেন বিজেপি জিতবে।
মে মাসে অমিত শাহ এনডিটিভিকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে বলেন, ‘শেয়ার মার্কেট ধসের পেছনে নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই, তবে এমন গুজব ছড়ালেও আমি ব্যবসায়ীদের ৪ জুনের আগে শেয়ার ক্রয়ের পরামর্শ দিব। কারণ শেয়ারের দাম বাড়বে।’
রাহুল গান্ধী এই পরামর্শকে ভারতের শেয়ার বাজারের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রতারণা বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, এর ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সুবিধা পেয়েছেন। কিন্তু ভারতীয়রা বহু অর্থ হারিয়েছে।
মোদির বিদায়ী বাণিজ্য মন্ত্রী পিযূষ, রাহুল গান্ধীল এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, রাহুল ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগে বিভ্রান্ত করছেন।
ইন্ডিয়ার লোকসভা নির্বাচনের পর বুথফেরত জরিপে বলা হয়েছিল- বিজেপি এককভাবে ২৭২’র বেশি আসনে জিতবে এবং জোটগতভাবে মোট ৫৪৩টি আসনের মধ্যে ৩৬০ থেকে ৩৭০ আসন পাবে। কিন্তু ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর থেকে বুথ ফেরত জরিপের ফল পুরোপুরি মিথ্যা প্রমাণিত হয়। চূড়ান্ত ফলাফলে বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয়। তাদের জোট এনডিএ ২৯৩ আসন পায়।
ইউডি/এআর

