দেশের চলতি হিসাবের ঘাটতি ক্রমান্বয়ে বাড়ছে
উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ০৪ জুলাই, ২০২৪, আপডেট ০৭:০০
দেশে সদ্য সমাপ্ত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিদেশি ঋণ ও বিনিয়োগ কম এসেছে, রপ্তানি আয়ও কমেছে। এসময় আগের নেওয়া ঋণ পরিশোধের চাপ বেড়েছে। ফলে চলতি হিসাবের ঘাটতি বাড়ছে।
বুধবার (৩ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংক সদ্য সমাপ্ত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল পর্যন্ত সময়ের বৈদেশিক লেনদেন ভারসাম্যের (ব্যালান্স অব পেমেন্ট) পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিলে ৩ হাজার ৩৬৭ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে। এসময় আমদানি করা হয়েছে ৫ হাজার ২৩৭ কোটি ডলারের পণ্য। এতে করে অর্থবছরের ১০ মাসে ১ হাজার ৮৭০ কোটি (১৮ দশমিক ৭০ বিলিয়ন) ডলারের বাণিজ্য ঘাটতিতে পড়েছে বাংলাদেশ।
বর্তমান বিনিময় হার হিসেবে দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি এক ডলার ১১৮ টাকা ধরে) এর পরিমাণ ২ লাখ ২০ হাজার ৬৩৬ কোটি টাকা।
ডলার সংকট কাটাতে নানা উপায়ে আমদানি নিয়ন্ত্রণ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে শুল্ক বাড়িয়েছে সরকার। একই সঙ্গে তুলনামূলক কম প্রয়োজন বা বিলাসী পণ্যের এলসি খোলার সময় শতভাগ পর্যন্ত নগদ মার্জিনের শর্ত দেওয়া আছে। এসব কারণে আমদানি কমেছে।
১০ মাসে বৈদেশিক বাণিজ্যের আর্থিক হিসাবে ২২৩ কোটি ডলার উদ্বৃত্ত হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ উদ্বৃত্ত ছিল ৩৫৪ কোটি ডলার। তবে সামগ্রিক লেনেদেন ভারসাম্যে বড় ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
ইউডি/কেএস

