শুকনা খাবারের সংকট ছাড়াও বন্যার আঁচ রাজধানীর কাঁচাবাজারে
উত্তরদক্ষিণ। শনিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৪, আপডেট ২৩:৪৫
বন্যার্তদের খাদ্য সহায়তায় বাজারে ব্যাপক চাহিদা দেখা দিয়েছে শুকনো খাবার মুড়ি, চিড়া ও গুড়ের। চাহিদা বাড়ায় বেড়েছে দামও। তার আঁচ লেগেছে কাঁচাবাজারেও। টানা বৃষ্টি ও বন্যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বেশ কিছু পণ্যের দামে।
শনিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে সবজির পর্যপ্ত সরবরাহ থাকলেও দাম কিছুটা বেড়েছে। গত কয়েকদিনে কিছু সবজির দাম অপরিবর্তিত থাকলেও অনেক সবজিরই দাম কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। প্রতিকেজি বেগুন বিক্রি হয়েছে ৬০-৭০ টাকা, কাঁচা মরিচ ২০০-২২০, করলা ৬০-৭০, ঢেঁড়শ, চিচিঙ্গা, পটোল, ধুন্দল ও পেঁপে ৪০-৫০ টাকা। পাকা টমেটো ১৪০ থেকে ১৫০, গাজর ১৫০, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া দেশি পেঁয়াজের কেজি ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। আলু বিক্রি হচ্ছে ৬০-৬৫ টাকায়।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, সবজির দাম যেগুলো বাড়ার, স্বাভাবিকভাবেই সেগুলো বেড়েছে। বৃষ্টির কারণে সবজির দাম কিছুটা বেশিই থাকে।
তবে কিছুটা সস্তাভাব দেখা গেছে মুরগির বাজারে। এ বাজারে ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, সোনালি ২৬০ থেকে ২৭০ এবং দেশি মুরগি ৫৪০ থেকে ৫৭০ টাকা। ডিমের ডজন ৫-১০ টাকা বেড়ে দোকানভেদে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি চিড়া ৭০ টাকা, মুড়ি ৮০ টাকা ও গুড় ১২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ত্রাণ হিসেবে প্রয়োজনীয় শুকনো খাবারের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাহিদা চিড়া, মুড়ি ও গুড়ের।
বাড়তি দামের কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, হাজার হাজার কেজি চিড়া-মুড়ি বিক্রি হচ্ছে। সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। অনেকে অগ্রিম অর্ডার দিয়ে রাখছেন। যার সুযোগে মিলাররা বাড়তি দাম রাখছেন। যে কারণে খুচরা পর্যায়ে দাম কিছুটা বাড়তি।
কারওয়ান বাজার কিচেন মার্কেট ইসলামিয়া শান্তি কমিটির সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বিল্লাল বলেন, এ বাজারে মজুদ করার মতো দোকানে জায়গা নেই। যারা ব্যবসায়ী তারা মিলার ও উৎপাদকদের কাছ থেকে পণ্য আনছেন। দামটা সেখানেই বেশি রাখা হচ্ছে। তবে আমরা দোকানে দোকানে মাইকিং করছি যেন বাড়তি মূল্য না রাখা হয়।
ইউডি/এবি

