আওয়ামী লীগ নেতার লাশ মেঘালয় পুলিশের কাছে
উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৪, আপডেট ০১:৪৫
ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী খান পান্না (৬০) ভারতে পালানোর সময় মারা গেছেন বলে খবর পাওয়া গিয়েছিল। তার লাশ ভারতের মেঘালয় রাজ্যের উমকিয়ং থানা-পুলিশের হেফাজতে আছে বলে স্বজনেরা জানিয়েছেন। লাশ দেশে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন তার ভাই।
ইসহাক আলী খান পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বেকুটিয়া গ্রামের প্রয়াত নেছার আলী খানের ছেলে। তার আত্মীয় জসিম উদ্দিন খান বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে আমরা ইসহাক আলী খানের সঙ্গে থাকা কয়েকজনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছি। তাঁরা আমাদের জানিয়েছেন, গত সোমবার উমকিয়ং থানা-পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। লাশ এখন পুলিশের হেফাজতে মর্গে আছে। আমরা দ্রুত ভারত থেকে লাশ দেশে আনার চেষ্টা করছি।’
ইসহাক আলীর বড় ভাই জাফর আলী খান বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে লাশ দেশে আনার জন্য মঙ্গলবার তিনি আবেদন করেছেন। আবেদনে মেঘালয় রাজ্যের শিলংয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ উপহাইকমিশনারের কার্যালয়ে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে বলা হয়েছে।
স্বজনেরা জানান, শনিবার ভোররাতে মেঘালয়ের ডাউকি এলাকায় পাহাড় পার হওয়ার সময় হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান ইসহাক আলী খান। এরপর সোমবার মেঘালয় রাজ্যের উমকিয়ং থানা-পুলিশ তাঁর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ইসহাক আলী খান রাজধানী ঢাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। এরপর তিনি ভারতে পালানোর উদ্দেশ্যে সিলেটে যান। শনিবার ভোর চারটার দিকে তিনিসহ কয়েকজন সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল এলাকা দিয়ে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকি এলাকায় যান। ভোর ছয়টার দিকে ওই এলাকার একটি পাহাড়ে ওঠেন। পাহাড় পার হয়ে তাঁদের গন্তব্যে যাওয়ার কথা ছিল।
ইউডি/এসআই

