১০ দফা সংস্কার প্রস্তাব, আনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচন চায় জামায়াত
উত্তরদক্ষিণ। বুধবার (৯ অক্টোবর), ২০২৪, আপডেট ২৩:৪০
আইন, বিচার, সংসদ, নির্বাচনব্যবস্থাসহ রাষ্ট্রের সংস্কারে অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য ১০ দফা প্রস্তাব তুলে ধরেছে জামায়াতে ইসলামী।
বুধবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে গুলশানের হোটেল ওয়েস্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের এ প্রস্তাব তুলে ধরেন। এ সময় জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেন, মূলত তাদের সংস্কার প্রস্তাব ৪১ দফা, সেটা বিস্তারিত। এখন তারা সংক্ষেপে ১০ দফা প্রস্তাব দিয়েছেন। এই মুহূর্তে অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য যেগুলো প্রাধান্য দেওয়া দরকার, সেগুলো দিয়েছেন। পরবর্তী নির্বাচিত সরকার এসে বাকিগুলো দেখবে।
এ প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার সব কটি করে দিলে নির্বাচিত সরকার এসে কী করবে। আমরা নির্বাচিত সরকারকেও পরীক্ষা করতে চাই। যখন আমরা বিরোধী দলে থাকি, আমাদের কণ্ঠ-আওয়াজ হয় এক রকমের, আর সরকারে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ১৮০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে ঘুরে যাই। তাই আমিসহ আমাদের সবাইকে পরীক্ষা করতে চাই। আমরা আগের জায়গাতেই আছি, নাকি এত বড় একটা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে আমাদেরও মানসিকতার কিছু পরিবর্তন হয়েছে, সেটা আমরা একটু দেখতে চাই।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান দাবি করেন, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধানটি ভারতে বসে রচনা করা হয়েছিল। তাই আমাদের সংবিধান জন্মভূমি হিসেবে বাংলাদেশকে পায়নি।
শফিকুর রহমান বলেন, দেড় সহস্রাধিক প্রাণের বিনিময়ে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে চলে যান। ৮ আগস্ট গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকারের প্রধান দায়িত্ব হলো স্বল্পতম সময়ের মধ্যে মৌলিক সংস্কার সম্পন্ন করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও অর্থবহ করার জন্য নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন। সংস্কার ব্যতীত নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হতে পারে না।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ও প্রধান প্রধান সেক্টরের সংস্কারের জন্য ১০ দফা প্রস্তাব তুলে ধরেন নায়েব আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের।
ইউডি/এবি

