দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সেনা মোতায়েন চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ
উত্তরদক্ষিণ। সোমবার (১৪ অক্টোবর), ২০২৪, আপডেট ২২:৩০
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট কয়েকদিন বন্ধ থাকলেও সম্প্রতি খোলস পাল্টে আবারও সক্রিয় হয়েছে। এতে দ্রব্যমূল্য বেড়েই চলেছে। এবার চাঁদাবাজি রোধ এবং সিন্ডিকেট ভেঙে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী মোতায়েন চেয়ে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন এক আইনজীবী।
সোমবার (১৪ অক্টোবর) নাদিম মাহমুদ নামে সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী এ লিগ্যাল নোটিশ পাঠান।
লিগ্যাল নোটিশে ১০ দিনের মধ্যে কৃষক পর্যায় থেকে সরাসরি পাইকারি বাজারে অবাধে পণ্য প্রবেশের পরিবেশ তৈরি করা, ফড়িয়া ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভেঙে তাদের আইনের আওতায় আনা, প্রতিটি বাজারে ব্যবসায়িক সমিতির নেতাদের জবাবদিহির আওতায় আনা, পাইকারি বাজারে চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে তাদের আইনের আওতায় আনার কথা বলা হয়।
নোটিশে আইনজীবী বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে বাংলাদেশের পাইকারি ও খুচরা বাজারে অস্বাভাবিক দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবেদন প্রচারিত হলেও, শুধু কাগজে-কলমে টাস্কফোর্স ও ভোক্তা অধিদফতরের নামমাত্র অভিযান পরিচালনা করা হলেও, বাস্তবিক অর্থে নিত্যপণ্যের দাম কমেনি বরং দিন দিন তা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, বাজারে নামে-বেনামে চাঁদাবাজি বন্ধ করার জন্য, বাজার মনিটরিং ব্যবস্থার বাস্তবিক কার্যক্রম বৃদ্ধি জোরদার করার জন্য, টাস্কফোর্সের বাস্তবিক কার্যক্রম জোরদার করার জন্য এবং দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে সরাসরি সেনাবাহিনীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে পাইকারি ও খুচরা বাজারে জরুরি ভিত্তিতে দ্রব্যমূল্যের স্বাভাবিক দাম নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম ও পদক্ষেপ গ্রহণ করা একান্ত জরুরি।
নোটিশে তিনি আরও বলেন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের আওতায় পর্যাপ্ত অভিযান পরিচালনা করে চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট ভেঙে দেয়ার বাস্তবিক ব্যবস্থা করা, অসাধু-মজুতদারদের আইনের আওতায় আনার জন্য দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করা এবং নোটিশ গ্রহীতাদের আওতাধীন সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর শুক্রবার ছাড়া অন্যান্য দিনের ছুটি বাতিল করে অস্বাভাবিক দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
ইউডি/এবি

