কারা নির্বাচনে আসবে, সে সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন নেবে: বদিউল আলম মজুমদার
উত্তরদক্ষিণ। রবিবার (২২ ডিসেম্বর), ২০২৪, আপডেট ২২:০০
নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, কারা নির্বাচনে আসবে, কারা যোগ্য, কারা যোগ্য নয়, সে সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন (ইসি) নেবে। আমাদের কাজ হলো নির্বাচনীব্যবস্থা সংস্কারের ব্যাপারে প্রস্তাব দেওয়া।
রবিবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কারসংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভা শেষে সব দলের নির্বাচনে অংশগ্রহণসংক্রান্ত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বদিউল আলম মজুমদার এ কথা বলে।
সভায় বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ তাদের মতামত ব্যক্ত করেন। কমিশনের অপর দুই সদস্য তোফায়েল আহমেদ ও জেসমিন টুলী এতে উপস্থিত ছিলেন।
সবাই সুষ্ঠু নির্বাচন চান উল্লেখ করে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, আমরা যেটা উপলব্ধি করেছি, মানুষের মধ্যে আগ্রহ, আবেগ ও উচ্ছ্বাস আছে। যেখানে আমাদের দেখে মানুষ দুটো কথা বলতে চায়। মনের আকুতি ব্যক্ত করতে চায়। তারা বিভিন্ন প্রস্তাব দিতে চায়। তাদের সবার আকুতি, একটা সুষ্ঠু–নিরপেক্ষ নির্বাচন হোক। যার মাধ্যমে আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাটা একটা শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়াবে। এটা জন–আকাঙ্ক্ষা। আমাদেরও আকাঙ্ক্ষা। সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।
বদিউল আলম মজুমদার যোগ করেন, আমরা কতগুলো প্রস্তাব দেব। কিন্তু বাস্তবায়ন আমাদের দায়িত্ব নয়। বাস্তবায়ন হবে সরকারের দ্বারা।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নাগরিক হিসেবে অনেকে সুস্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন। তারা আর ব্যবহৃত হতে চান না। তারা চান সুষ্ঠু–নিরপেক্ষ নির্বাচন। তাই সেভাবে দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করছি। আর হলফনামায় অনেক রকম ভুয়া, বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দেওয়া হয়। তথ্য গোপন করা হয়। এগুলো যাতে যাচাই-বাছাই করা হয়, সে–সংক্রান্ত প্রস্তাব দেওয়ার কথা বিবেচনা করছি। আমাদের প্রস্তাবগুলো এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
সময়সীমা সম্পর্কে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, আমাদের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। আমাদের প্রজ্ঞাপনটা জারি হয়েছে ৩ তারিখ। আমরা আশা করি, ৩১ (ডিসেম্বর) তারিখের মধ্যেই সুপারিশ দেব। আর নির্বাচনের ব্যাপারে ব্যাপক দাবি আছে। প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, নির্বাচনী ট্রেনটা যেন ট্র্যাকে ওঠে। এ জন্য প্রথম কাজটা ছিল নির্বাচন কমিশন গঠন করা। ওনারা (সরকার) তা–ই করেছেন। আমাদের কাজের সঙ্গে তাদের কাজের কোনো রকম সাংঘর্ষিক অবস্থা বিরাজ করছে না। তাদের আরও অনেক কাজ আছে। ভোটার তালিকা প্রণয়নসহ নানা কাজ। কাজগুলো শুরু করা দরকার।
ইউডি/এবি

