জেলের জালে ধরা পড়ল ১৯৫ মণ ইলিশ‌‌

জেলের জালে ধরা পড়ল ১৯৫ মণ ইলিশ‌‌

উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫, আপডেট ১৬:৩৫

পটুয়াখালীর আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নিলামের মাধ্যমে ইলিশ বিক্রি করা হয়েছে

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এখলাস মাঝি নামে এক জেলের জালে ধরা পড়েছে ১৯৫ মণ ইলিশ। শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিলামের মাধ্যমে এ মাছ বিক্রি হয়।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) মাছ নিয়ে গভীর সাগর থেকে তীরে ফেরেন জেলেরা। গত মঙ্গলবার ও বুধবার কুয়াকাটা থেকে পূর্ব-দক্ষিণ দিকে ৯০ কিলোমিটার গভীর সমুদ্রে জেলের জালে ইলিশ ধরা পড়ে।

জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, গত ৬ জানুয়ারি ১৭ জন জেলে ও ‘এফবি বিসমিল্লাহ-১’ নামে ট্রলার নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে যান এখলাস মাঝি। তিনদিন সমুদ্রে জাল ফেলে মাছ ধরেন তিনি ও তার জেলেরা। গতকাল বৃহস্পতিবার আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে এসে তিন সাইজের ইলিশ আলাদা করেন তারা।

আজ শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নিলামের মাধ্যমে ৬০০ গ্রাম থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতিমণ ৪০ হাজার টাকা, ৪০০ গ্রাম থেকে ৫০০ গ্রাম ওজনের প্রতিমণ ইলিশ ২৫ হাজার টাকা এবং ছোট সাইজের প্রতিমণ ইলিশ ১৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি করেন তারা। অন্যান্য বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ৫৪ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। সব মিলিয়ে ৪০ লাখ ১৪ হাজার টাকার মাছ বিক্রি হয়েছে।

ট্রলারের মাঝি এখলাস গাজী বলেন, “গত রবিবার আলীপুর ঘাট থেকে ১৭ জন জেলে সমুদ্রে যাই। ফিশিং করতে করতে গভীর সমুদ্রে জাল ফেলে মাছগুলো পেয়েছি। ১৯৫ মণ ইলিশ ধরা পড়েছে। বর্তমানে সমুদ্রে মাছ ধরা পড়েছে না‌। এর মধ্যেও আল্লাহ মাছ দিয়েছেন। এজন্য শুকরিয়া আদায় করছি, আলহামদুলিল্লাহ।”

এফবি বিসমিল্লাহ-১ ট্রলারের মালিক খলিলুর রহমান খান বলেন, “অনেক দিন ধরে সাগরে খুব কম মাছ ধরা পড়ছে। আমাদের লোকসান গুণতে হচ্ছিল। এই মাছ বিক্রি করে পেছনের লোকসান কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারব।”

কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, “আশা করছি শীত কিছুটা কমলে অধিকাংশই জেলের জালে ইলিশ ধরা পড়বে। জেলেদের গভীর সমুদ্রে বড় ফাঁসের লম্বা জাল ফেলার পরামর্শ দিচ্ছি।”

ইউডি/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading