গাজায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৭৩
উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি), ২০২৪, আপডেট ২৩:৫৭
কার্যকর হওয়ার আগেই ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস চুক্তির কিছু অংশ থেকে সরে এসেছে অভিযোগ করে চুক্তি অনুমোদন স্থগিত করেছে ইসরায়েল। তবে এ অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে হামাস। এদিকে যুদ্ধবিরতিতে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে—এমন ঘোষণা আসার পরও গাজায় হত্যাযজ্ঞ অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েলি বাহিনী।
গাজায় যুদ্ধবিরতি ও বন্দিবিনিময়ের বিষয়ে ইসরায়েল ও হামাস সম্মত হয়েছে বলে গতকাল বুধবার কাতারে মধ্যস্থতাকারীরা ঘোষণা দেন। আগামী রোববার থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে বলেও জানান তারা।
হামাস চুক্তির কিছু অংশ থেকে সরে এসেছে অভিযোগ করে চুক্তি অনুমোদন স্থগিত করেছে ইসরায়েল। অভিযোগ নাকচ করেছে হামাস। বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি)ইসরায়েলের মন্ত্রিসভায় চুক্তিটি অনুমোদন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হামাস শেষ মুহূর্তে চুক্তির কিছু অংশ থেকে সরে এসেছে এমন অভিযোগ তুলে গতকাল মন্ত্রিসভার বৈঠক স্থগিত করার কথা জানায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর।
প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর বলেছে, হামাস চুক্তির সব শর্ত মেনে নিয়েছে—মধ্যস্থতাকারীরা বিষয়টি না জানানো পর্যন্ত মন্ত্রিসভার বৈঠক আহ্বান করা হবে না।
তবে ইসরায়েলের অভিযোগের কোনো ‘ভিত্তি নেই’ বলে মন্তব্য করেছেন হামাসের রাজনৈতিক শাখার সদস্য সামি আবু জুহরি। এর আগে এক বিবৃতিতে হামাসের রাজনৈতিক শাখার আরেক সদস্য ইজ্জাত আল-রিশেক বলেন, ‘মধ্যস্থতাকারীদের ঘোষণা করা যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ হামাস।’
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, মূলত অভ্যন্তরীণ চাপের কারণে চুক্তি অনুমোদনের বিষয়টি ঝুলিয়ে দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। তার জোট সরকারের উগ্র-ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মত্রিচ পদত্যাগের হুমকি দিয়ে বলেছেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুমোদন দেওয়া হলে গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
ইউডি/এবি

