বাংলাদেশের উন্নয়ন ব্যয়ে আমেরিকার অবদান ‘নগণ্য’: প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়
উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি), ২০২৫, আপডেট ২৩:৫০
ইন্ডিয়ান সংবাদমাধ্যমে ‘মিথ্যাচার ও অপতথ্যের’ অভিযোগ এনে বাংলাদেশে অন্য উন্নয়ন সহযোগীদের তুলনায় আমেরিকার অর্থায়নের হিসাব দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।
শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) সিএ প্রেস উইং ফ্যাক্টস নামের ভেরিফায়েড ফেইসবুক পাতায় এ তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়ন বন্ধ করার বিষয়ে কিছু ইন্ডিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘মিথ্যাচার ও অপতথ্যের ক্যাম্পেইন’ চালাচ্ছে।
“এই সিদ্ধান্ত ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশসহ সব দেশের জন্যই প্রযোজ্য। ইন্ডিয়ান সংবাদপত্রগুলো একটা বিষয় জানে না, বা ক্রমাগতভাবে এড়িয়ে যাচ্ছে, সেটা হল আমেরিকার যে সহায়তা, তা বাংলাদেশের উন্নয়ন ব্যয়ের খুবই নগণ্য একটা অংশ।”
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসেই বিদেশে সহায়তা ৯০ দিনের জন্য স্থগিত করেন। তাতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ইউএস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টসহ (ইউএসএআইডি) বিভিন্ন বৈশ্বিক কর্মসূচির কোটি কোটি ডলারের তহবিল হুমকির মুখে পড়ে।
সিএনএন লিখেছে, বিদেশে বিদ্যমান মার্কিন সহায়তা ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না’ তা পর্যালোচনার জন্য ফেব্রুয়ারিতে মানদণ্ড তৈরি করবে ট্রাম্প প্রশাসন। এই পর্যালোচনার পরে সহায়তা কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া, সংশোধন করা বা সমাপ্ত করা হবে কি না- সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে ট্রাম্প নির্বাহী আদেশ জারির পর ইউএসআইডি বাংলাদেশেও সব ধরনের প্রকল্প সহায়তা ৯০ দিনের জন্য বন্ধের বিষয়টি বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষ ও সংস্থাগুলোকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে।
অর্থায়ন বন্ধের ধাক্কা বাংলাদেশের সরকারি-বেসরকারি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে লাগতে শুরু করেছে। তবে রোহিঙ্গাদের জন্য জরুরি খাদ্য সহায়তা ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে বলে তথ্য দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
ইউডি/এবি

