স্বৈরাচার পালিয়ে গেলেও প্রেতাত্মারা রয়ে গেছে: তারেক রহমান
উত্তরদক্ষিণ। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি), ২০২৪, আপডেট ২৩:২৫
স্বৈরাচার পালিয়ে গেলেও স্বৈরাচারের প্রেতাত্মারা রয়ে গেছে মন্তব্য করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ষড়যন্ত্রকারীরা বসে নেই। তারা নানা দাবি-দাওয়ার নামে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে।
শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় আশুগঞ্জ উপজেলার সোহাগপুর আব্বাস উদ্দিন খান মডেল কলেজ মাঠে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
তারেক বলেন, গত ১৫ বছরে লাখ লাখ নেতাকর্মী অত্যাচারিত হয়েছেন, নির্যাতিত হয়েছেন, গুম, খুন হয়েছেন। কিন্তু বিএনপি থেমে থাকেনি। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সবার ঐক্যবদ্ধতার মাধ্যমে আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। গত ৫ আগস্ট স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে। এখন লক্ষ্য একটাই দেশকে পুনর্গঠন করতে হবে। দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে, কিন্তু স্বৈরাচারের প্রেতাত্মারা রয়ে গেছেন জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, এরা বিভিন্নভাবে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছেন। সর্বোপরি বাংলাদেশকে রক্ষা করতে গেলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ভোটের মাধ্যমে জনগণের হাতে ক্ষমতা তুলে দেয়ার পাশাপাশি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, বহু অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করে বিএনপি নেতাকর্মীরা এগিয়ে গেছেন। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা ব্যবস্থা বেকার সমস্যা সমাধানের বিষয়সহ সব পর্যায়ে দেশকে কীভাবে এগিয়ে নিতে হবে তা ৩১ দফায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। ২০ কোটি মানুষের চাষাবাদের জন্য খাল খনন করতে হবে। দেশের খালগুলো ভরাট হয়ে গেছে। সেই সমস্যা থেকেও আমাদের উত্তোরণ ঘটাতে হবে।
তিনি বলেন, বিগত ১৫ বছর জনগণের ভোট দেয়ার উপায় ছিল না। কখনো আমরা দেখেছি, ডামি নির্বাচন, কখনও ভোটারবিহীন নির্বাচন, কখনও আমরা দেখেছি ভোট ডাকাতি। জনগণের ভোট দেয়ার ক্ষমতাকে অস্ত্রের বলে কেড়ে নেয়া হয়েছিল। উন্নয়নের নামে লাখ-কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। কোনো রকম জবাবদিহিতা ছিল না বলে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। দলীয় লোক দিয়ে বিচার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সে কারণে রাষ্ট্রের প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইউডি/এবি

