সরকারে এসে ‘কঠিন সংস্কারের’ পথে হাঁটবে বিএনপি: আমীর খসরু

সরকারে এসে ‘কঠিন সংস্কারের’ পথে হাঁটবে বিএনপি: আমীর খসরু

উত্তরদক্ষিণ। সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, আপডেট ১৭:২৬

নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় এসে সরকার গঠন করার পর উদার ও নিয়ন্ত্রণমুক্ত বাণিজ্যে জোর দিবে; সেক্ষেত্রে ‘কঠিন সংস্কারের’ পথে হাঁটবে বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মহাখালী ব্র্যাক সেন্টার ইনে এক সেমিনারে বিএনপি সরকারের সাবেক এ বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, পারসেনালি আমরা যেটা চিন্তা করছি বিএনপির পক্ষ থেকে, আই ক্যান ক্যাটাগরিক্যালি টেল ইউ, উই আর গোয়িং টু সিরিয়াস ডি-রেগুলেশন; সিরিয়াস ডি-রেগুলেশন। সিরিয়াস লিবারালাইজেশন। তিনি বলেন, আমরা গভর্নমেন্টের রোল কমিয়ে আনব। ইনভেস্টমেন্টের ক্ষেত্রে, ইকোনমির ক্ষেত্রে আমরা গভর্নমেন্টের রোল কমিয়ে আনব অ্যাবসলিউটলি।

‘রিকমেন্ডেশন বাই দ্য টাস্ক ফোর্স অন রি-স্ট্র্যাটেজিসিং দ্য ইকোনমি’ শীর্ষ সেমিনারটির আয়োজক ছিল বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডি।বক্তব্যে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, চলমান ‘টুকটাক, ছোটখাট, পিচমিল রিফর্ম’ দিয়ে দেশের তেমন কাজে আসবে না।

তিনি বলেন, বালাদেশের ইকোনমির রিক্যালিব্রেট, রিসেট যদি করতে হয়, প্রথমেই নিয়ন্ত্রণমুক্ত ও উদারীকরণ করতে হবে অর্থনীতির। তখন দেশে কনফিডেন্স বাড়বে, বিদেশিদের কনফিডেন্স বাড়বে এবং এটাই একমাত্র পন্থা সামনে আগানোর। টুকটাক, ছোটখাট, এসব পিচমিল রিফর্ম করে কোনো কাজ হবে না। আপনাকে সামষ্টিক অর্থনীতিতে আসতে হবে। প্রথম ডি-রেগুলেশন। তারপর স্টেপ বাই স্টেপ অন্যগুলো।

তিনি তার সরকারের সংস্কার ভাবনা তুলে ধরে বলেন, এটা হবে যন্ত্রণাদায়ক সংস্কার। এটা হবে কঠিন সংস্কার। এখানে হয়ত কিছু প্রতিরোধও থাকবে এবং ভালোভাবে জানি, আমি বলতে চাচ্ছি, বাংলাদেশ এটা বাদ দিতে পারবে না।

এ সময় বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান তার দিকে প্রশ্ন ছুড়ে দেন যে, তিনিও (আমীর খসরু) তো ব্যবসায়ী, তার খাতের ব্যাপারেও একই মন্তব্য থাকবে কি না।

জবাবে আমীর খসরু বলেন, আমি মনে করি, আমাদের পার্টিতে একটি গভীর আলোচনা হয়েছে। একটি গম্ভীর বিতর্ক হয়েছে এবং এই বিষয়ে আমরা একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, আমাদের অর্থনৈতিক নীতি ভবিষ্যতে আশা করি আপনি দেখতে পাবেন, আমাদের সংস্কার কর্মসূচির মধ্যে থাকবে। এ সবই আমাদের অর্থনৈতিক নীতির প্রতিফলন হবে। আমি মনে করি, যেকোনো অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতামূলক সুবিধার মৌলিক বিষয়, আপনাকে সেই নীতি অনুসরণ করতে হবে। যদি কোনো পণ্য প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা পায়, সে তা আমদানি করুক, স্থানীয় সম্পদ দিয়ে হোক বা আঞ্চলিক সম্পদ ব্যবহার করে হোক, সেই শিল্প টিকে থাকতে পারে। সেই শিল্প সত্যিকার অর্থে টেকসই হবে, নইলে অতিরিক্ত সুরক্ষা দেওয়া যা বাজারকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং ভোক্তার ওপর প্রভাব ফেলবে, তা হবে ক্ষতিকর।

ইউডি/এজেএস

Asadujjaman

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading