অনিয়ম-দুর্নীতির অনুসন্ধানে বিএসইসিতে দুদকের অভিযান
উত্তরদক্ষিণ। রবিবার (০২ মার্চ), ২০২৫, আপডেট ২৩:১৫
বিগত সরকারের সময়ে আইপিও অনুমোদনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধানে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।
দুদকের জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তা তানজির আহমেদ জানান, রবিবার (০২ মার্চ) আগারগাঁওয়ে বিএসইসি কার্যালয়ে এ অভিযান চালান কমিশনের কর্মকর্তারা।
দুদকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এনফোর্সমেন্ট টিম বিএসইসি থেকে আইপিও অনুমোদন সংক্রান্ত নথি, কোম্পানির দাখিল করা প্রসপেক্টাস, নিরীক্ষা রিপোর্ট ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস পর্যালোচনা করে।
পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, কোম্পানির দাখিলকৃত বানোয়াট উপার্জন এবং সম্পদ বিবরণী ও উইন্ডো ড্রেসিং-এর মাধ্যমে তৈরিকৃত ব্যালেন্স শিটের-এর বিপরীতে আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে অনেকক্ষেত্রে ডিএসই-এর সুপারিশ ও অবজারভেশন বিবেচনা করা হয়নি- যা ব্যাপক অনিয়মের ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছে।
“এছাড়া প্রাইভেট প্লেসমেন্ট জালিয়াতি ও বাণিজ্য, অধিক মূল্যে শেয়ার প্রাইস নিয়ে মার্কেটে প্রবেশ ও অল্প সময়ে শেয়ার বিক্রয়, প্রাইসের দ্রুত অবনমন-এর প্রেক্ষিতে বিএসইসি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।”
দুদক বলছে, দুর্বল কোম্পানিগুলোকে অবৈধভাবে অনুমোদন দেওয়ায় ক্যাপিটাল মার্কেট প্রবেশের অল্প দিনেই তাদেরকে নিম্ন মানের কোম্পানি হিসেবে জেড ক্যাটাগরিতে ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া জালিয়াতির মাধ্যমে চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টের প্রস্তুত করা উইন্ডো ব্যালেন্স শিট ও বানোয়াট উপার্জন রিপোর্ট ও ইস্যু ম্যানেজার কর্তৃক তৈরি করা অতিমূল্যায়িত কোম্পানি প্রোফাইলের প্রেক্ষিতে অনিয়মের আশ্রয়ে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন কর্তৃক আইপিও অনুমোদন করা হয়েছে মর্মে টিমের নিকট প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়।
দুদকের এনফোর্সমেন্ট দল এ সংক্রান্ত যাবতীয় রেকর্ড পর্যালোচনা করে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন কমিশনে দাখিল করবে। তার ওপর ভিত্তি করে কমিশন পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানান তানজির আহমেদ।
ইউডি/এবি

