ট্রাম্পের সঙ্গে পরামর্শ করেই গাজায় হামলা: হোয়াইট হাউজ

ট্রাম্পের সঙ্গে পরামর্শ করেই গাজায় হামলা: হোয়াইট হাউজ

উত্তরদক্ষিণ। মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ, ২০২৫, আপডেট ১২:৩০

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আজ মঙ্গলবার ভোরে গাজা উপত্যকার বিভিন্ন জায়গায় বিমান ও ট্যাংক হামলা চালিয়েছে। এতে কমপক্ষে ২৩২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো অসংখ্য মানুষ।

গাজায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনায় অচলাবস্থার মধ্যে এ হামলা হলো। খবর আল জাজিরার।

হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিটের মতে, মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) গাজায় ব্যাপক আকারে হামলা শুরুর আগে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পরামর্শ করেছিল ইসরায়েল।

ট্রাম্প প্রশাসনের এই মুখপাত্র আমেরিকার সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেমন স্পষ্ট করে বলেছেন, হামাস, হুতি, ইরান- যারা কেবল ইসরায়েলকে নয়, বরং আমেরিকাকে আতঙ্কিত করতে চায়- তাদের মূল্য দিতে হবে এবং তাদের ওপর সমগ্র নরক ভেঙে পড়বে।”

ক্যারোলিন লিভিট আরো বলেন, “হুতি, হিজবুল্লাহ, হামাস, ইরান এবং ইরান-সমর্থিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর উচিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে খুব গুরুত্ব সহকারে নেয়া। কারণ ট্রাম্প বলছেন, তিনি আইন মেনে চলা মানুষের পক্ষে দাঁড়াতে এবং আমেরিকা এবং আমাদের বন্ধু ও মিত্র ইসরায়েলের পক্ষে দাঁড়াতে ভয় পান না।”

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর থেকে গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন লাখেরও বেশি মানুষ।

গত ১৯ জানুয়ারি গাজায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। ওই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রচেষ্টা চালানো হলেও তা ব্যর্থ হয়। ৪২ দিনের যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পর থেকে আজকের হামলাটি গাজায় সবচেয়ে বড় হামলা।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিবৃতি অনুসারে, মঙ্গলবার সকালে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এই হামলার নির্দেশ দিয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামাস আমাদের জিম্মিদের মুক্তি দিতে বারবার অস্বীকৃতি জানানোর পাশাপাশি আমেরিকার প্রেসিডেন্টের দূত স্টিভ উইটকফ এবং মধ্যস্থতাকারীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত সমস্ত প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর এটি করা হয়েছে।

ইউডি/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading