টাটকা টমেটো দেখে প্রাণ জুড়ালেও দিশেহারা চাষি

টাটকা টমেটো দেখে প্রাণ জুড়ালেও দিশেহারা চাষি

উত্তরদক্ষিণ। রবিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৫, আপডেট ১৩:১০

গাছের ঝুলন্ত টাটকা টমেটো দেখে প্রাণ জুড়িয়েছিল চাষিদের। মনে হয়েছিল, ভালো ফলনে সচ্ছলতা আসবে তাদের। কিন্তু সেই টমেটো এখন জমি থেকে তুলতে আগ্রহ নেই চাষিদের। ফলে জমিতেই নষ্ট হচ্ছে কষ্টের ফসল টমেটো।

এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ এলাকার চাষিরা। জেলার শস্যা ভাণ্ডার হিসেবে খ্যাত এই এলাকায় সবজি সংরক্ষণের জন্য নেই কোনো হিমাগার। এতে করে চাষিরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তের হওয়ার কারণে ফসল উৎপাদনে উৎসাহ হারিয়ে ফেলছেন। কারণ ফসল তোলার সঙ্গে সঙ্গেই বাধ্য হয়ে ‘পানির দরে’ বিক্রি করতে হচ্ছে, না হলে পচে নষ্ট হয়ে যাবে। রয়েছে এমন শঙ্কাও।

কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আলীনগর, আদমপুর, মাধবপুর, সদর ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার তিলকপুর, জামিরকোনা, হোমেরজান, পাত্রখোলা, কাটাবিল, নাজাতকোনা, ধলাই পার, নরেন্দ্রপুর, আদমপুর ও ইসলামপুর, ছয়ছিড়িসহ বিভিন্ন গ্রামে প্রায় ৩৫ হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষাবাদ হয়েছে। তবে গ্রাফটিং পদ্ধতিতে কেউ কেউ বারো মাসও টমেটো চাষাবাদ করেন।

স্থানীয় চাষিরা বলছেন, বর্তমানে জমিতে অনেক ফসল রয়ে গেছে। তবে বাজারে দাম কমে গেছে। তাই টমেটো তোলার মজুরের মজুরি ও পরিবহণ ব্যয় না ওঠার কারণে জমিতেই কষ্টের ফসল পচে নষ্ট হচ্ছে। পাশাপাশি সবজি সংরক্ষণের জন্য হিমাগার স্থাপনের দাবি জানান।

কমলগঞ্জ উপজেলায় হিমাগার স্থাপনের বিষয়টি জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাখন চন্দ্র সূত্রধর জানান, উপজেলার কৃষকের কষ্টের ফসল সংরক্ষণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবগত করা হয়েছে। আশা করি দ্রুত হিমাগার স্থাপন করা সম্ভব হবে।

ইউডি/ আরকে

Asadujjaman

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading